October 31, 2026, 9:16 pm
শিরনাম :
কলকাতায় বুক স্টল ও বইয়ের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদ ‘ভারতীয়রা গোমূত্র চেটে খায়’ ইহুদি ধর্মপ্রচারকের কঠিন উপহাস রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসির পাসের হার ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ চুয়াডাঙ্গায় এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে উৎসবমুখর পরিবেশে লিঙ্গুইস্টিক অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত ‎তালায় নারীর প্রতি সহিংসতা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সংলাপ সভা বালীগাঁও প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেট বিপিএল সিজন -৫ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় ময়মনসিংহ শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪ শতাংশ দেশের স্বার্থে ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না -ডা.শফিকুর রহমান কাঁঠালিয়ায় ফলের বাগানের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

বাগেরহাটে ভাই হত্যার বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন: জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

এস এম রাজ, বিশেষ প্রতিনিধি

​বাগেরহাটে ভাই হত্যার বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন: জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

সৈয়দ জালিস মাহমুদ
বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ

​বাগেরহাটে কৃষক দল নেতা বাদল মোড়ল হত্যাকাণ্ডের এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় গভীর ক্ষোভ ও হতাশা ব্যক্ত করেছে তার পরিবার।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১১টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের ছোট ভাই এবং শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের বারুইপাড়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান মোড়ল এই অভিযোগ করেন।

​সংবাদ সম্মেলনে হাফিজুর রহমান তার ভাইয়ের হত্যাকাণ্ডের পেছনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতাদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা ও হুমকির তীব্র অভিযোগ তোলেন।
​হত্যাকাণ্ডের বিবরণ ও মামলা
​লিখিত বক্তব্যে হাফিজুর রহমান বলেন, গত ৯ জুন ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বারুইপাড়া ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি বাদল মোড়ল ও ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুল্লাহ মোড়ল আড়পাড়া থেকে ফকিরহাট যাওয়ার পথে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই বাদল মোড়ল নিহত হন এবং আব্দুল্লাহ মোড়ল গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
​এই ঘটনায় হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে গত ১১ জুন ফকিরহাট থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ২০-২৫ জন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

​হাফিজুর রহমান মোড়ল নিজেকে জামায়াতে ইসলামীর একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে দাবি করে বলেন,
​”আমার ভাইকে হত্যার আগে জামায়াত নেতারা আমাকে বিভিন্ন সময় সতর্ক করে বলেছিল, ‘আব্দুল্লাহ মোড়ল ও বাদল মোড়ল মার্ডার হলে এর দায়ভার কে নেবে?’ তারা বার বার আমাদের জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে যেতে নিষেধ করেছিল। এতেই প্রমাণিত হয় এই হত্যাকাণ্ডের সাথে তারাই জড়িত।”
​তিনি আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডের পর জামায়াত নেতারা বিভিন্ন প্রতিবাদ সভায় মিথ্যাচার করছেন। জামায়াত নেতাদের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের যে দাবি করা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সাথে তার ভাইকে ‘অভ্যন্তরীণ কোন্দলে’ হত্যা করা হয়েছে বলে যে প্রচার চালানো হচ্ছে, তাও মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তিনি।
​​মামলা দায়েরের ৫ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে আসামি গ্রেপ্তারের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন নিহতের ভাই।
তিনি সংবাদ মাধ্যমের সাহায্যে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, রাজনীতি ও প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে যেন আমার ভাইয়ের প্রকৃত হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনা হয়।
​সংবাদ সম্মেলনে নিহতের পরিবারের সদস্য এবং জেলা বিএনপির নেতৃ বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ