July 25, 2026, 7:29 pm
শিরনাম :
পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী মেদনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মাঠে রফিকুল ইসলাম খান

রাজশাহীতে “তথ্য অধিকার আইন- ২০০৯” বাস্তবায়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সিরাজুল ইসলাম রনি, রাজশাহী ব্যুরো প্রধান

তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা, সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে রাজশাহীতে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বাস্তবায়ন বিষয়ক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আয়োজনে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। কর্মশালায় ভার্চুয়াল প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মিজ ফারাহ শাম্মী। এছাড়া ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ খালেদ হাসান।

তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর পটভূমি, উদ্দেশ্য এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় এর গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অপরিহার্য উপাদান। এ আইন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান। তিনি বলেন, কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির ঘটনা ঘটলে তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে জনগণের সচেতন ও সোচ্চার হওয়ার সুযোগ রয়েছে। পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি আইনের বিভিন্ন ধারা, উপধারা এবং বাস্তব প্রয়োগ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত পদ্ধতিতে যেকোনো নাগরিক তথ্যের আবেদন করতে পারেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তথ্য দিতে বাধ্য। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হয়।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, তথ্য অধিকার আইন নাগরিক ও প্রশাসনের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। সরকারি সেবাকে আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করতে এ আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি। তথ্যপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়লে জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পায় এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার ভিত্তি আরও শক্তিশালী হয়। তাই সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আইনটির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. এসআইএম রাজিউল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) বেলায়েত হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) সাবিনা ইয়াসমিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন, রাজশাহী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইদুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন।

বক্তারা বলেন, তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও জনবান্ধব হবে। একই সঙ্গে নাগরিকদের তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত হওয়ার ফলে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি প্রতিরোধে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনেরা অংশ নেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ