বিশ্ব পরিবেশ দিবস’র আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হচ্ছে দেশের দক্ষিন-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল। ঘূর্ণিঝড়, অতিবৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, জলাবদ্ধতা ও তাপদাহের কারণে উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা ও সম্পদ প্রতিনিয়ত ক্ষতির সন্মুখিন হচ্ছে। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষদের এই ক্ষতিপূরন, দুর্যোগ মোকাবেলা এবং অভিযোজনের জন্য উন্নয়শীল দেশেগুলোর বিশেষতঃ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশগুলো থেকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ২০৩৫ সালের মধ্যে প্রতিবছর ৩১০ থেকে ৩৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নায্য আদায় করতে হবে এবং তা’ ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে বিতরণ করতে হবে।
রোববার (৭ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় পাইকগাছা অফিসে অনুষ্ঠিত উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, পাইকগাছা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরামের অখিল চন্দ্র মন্ডল।

প্রকৃতির জন্য অনুপ্রাণিত। জলবায়ুর জন্য। আমাদের ভবিষ্যতের জন্য- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব পরিবেশ দিবস- ২৬ উপলক্ষ্যে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অ্যাাওসেড ও পাইকগাছা ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম যৌথভাবে এই আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপন কর্মসূচি আয়োজন করে।
স্বাগত বক্ত্য রাখেন, অ্যাওসেড এর হেড অব প্রোগ্রাম শংকর রঞ্জন সরকার। সঞ্চালনা করেন অ্যাওসেড’র উপ-নির্বাহী পরিচালক হেলেনা খাতুন। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন, অ্যাওসেড এর নলেজ ম্যানেজমেন্ট এর টীম লীডার মোসালাউদ্দিন। সভা শেষে স্থানীয় শহীদ এম.এ. গফুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ৪টি ফলজ ও বনজ গাছ রোপন করা হয়।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিশ্বনাথ ভট্রাচার্য, শ্যামাপদ মন্ডল, নুরুন্নাহার পারভীন, শেখ জুলি, সুভাষ চন্দ্র মন্ডল, নুর ইসলাম গাজী, মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ডা. বাসুদেব রায় ও মানিক ভদ্র প্রমুখ।