পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সিলিং ফ্যানের সাথে নিজের ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে মোসা.মেহেরুন্নেছা উর্মি (২৮) নামে এক পুলিশ কনেষ্টেবল আত্মহত্যা করেছে।
শুক্রবার (১ মে) রাতে পৌর শহরের বাদুরতলী এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
সে কলাপাড়া থানায় প্রায় এক বছর ধরে কর্মরত রয়েছে। এ ঘটনায় তার স্বামী মো.মহিবুর রহমান বাপ্পীকে আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,মেহেরুন্নেছা উর্মি কলাপাড়া পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকার মো.আমিরুল ইসলামের বাড়ীতে তার পরিবার নিয়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন। তার সাথে স্বামীর বনি-বনার অভাবে প্রায় ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। এর জের ধরে স্বামী মহিবুর রহমান বাপ্পী স্ত্রী মেহেরুন্নেছার উপর প্রায়ই নির্যাতন চালাতো।

ঘটনার দিন বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে মেহেরুন্নেছা নিজের ওড়না দিয়ে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস দেয়।
পরে পুলিশ খবর পেয়ে ঘরের মেঝেতে শোয়ানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে।
বর্তমানে তার লাশ ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। মহিবুর রহমান এবং মেহেরুন্নেছা উর্মি দম্পতির ঘরে এক ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে। মহিবুর রহমান বাপ্পী এক সময় পুলিশে কর্মরত ছিলেন।
এ ব্যাপারে কলাপাড়া থানার সেকেন্ড অফিসার পুলিশ উপ-পরিদর্শক মো.জাকির হোসেন জানান, ধারনা করা হচ্ছে, স্বামী,স্ত্রীর পারিবারিক কলহের কারনে হয়তো আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে মেহেরুন্নেছা উর্মি।
উর্মির বাড়ী বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলায়। অপরদিকে, মহিবুর রহমান বাপ্পীর বাড়ী পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়।