July 26, 2026, 4:26 am
শিরনাম :
এহসান মোর্শেদ পিয়াল কে আহবায়ক করে মূলঘর ইউনিয়ন “মুক্তিযোদ্ধো প্রজন্ম সংসদ” এর আহবায়ক কমিটি গঠিত। পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে মাটির নিচে গোপন বাংকারের সন্ধান!

ডেস্ক রিপোর্ট

লক্ষ্মীপুরে একটি নির্জন বাগানের ভেতরে মাটির নিচে তৈরি করা হয়েছে গোপন বাংকার। সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলেই দেখা যায় থাকার উপযোগী ব্যবস্থা—রয়েছে বিছানাসহ প্রয়োজনীয় সুবিধা। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিন-রাত সেখানে বসত মাদকসেবীদের আসর, চলত মাদক কেনাবেচাও।

এ ঘটনা সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়নের পশ্চিম লক্ষ্মীপুর গ্রামে। কয়েক দিন ধরে বাংকারের বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ উঠেছে, প্রফুল্ল সাহার বাড়ির খোকন সাহার ছেলে সুজন সাহা ওরফে ভক্ত দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির পাশের বাগানের ভেতরে এই বাংকার তৈরি করে মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, সুজন সাহা দীর্ঘদিন ধরেই মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত। এর আগে তার একাধিক মাদকের আস্তানা এলাকাবাসী গুঁড়িয়ে দিলেও এবার গোপনে মাটির নিচে নতুন আস্তানা গড়ে তোলেন। প্রতিদিনই ওই এলাকায় বহিরাগতদের আনাগোনা লক্ষ্য করা যেত, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা টুটুল পাটোয়ারী বলেন, সুজন সাহা নিয়মিত মাদক ব্যবসা করে আসছেন। বাগানের ভেতরে মাটির নিচে বাংকার বানিয়ে সেখানে মাদকের আসর বসাতেন এবং বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহ করতেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর তিনি আত্মগোপনে চলে গেছেন। পরে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রাতের আঁধারে বাংকারটি ভেঙে ফেলা হয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা এলাকাবাসী মাদকমুক্ত পরিবেশ চাই। মাদক সেবন ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

অভিযুক্ত সুজন সাহাকে তার বাড়িতে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে তার স্ত্রী সুবাঙ্কা সাহা বলেন, বাংকারটি তার স্বামী তৈরি করেছিলেন। তবে সেখানে মাদক কার্যক্রমের বিষয়টি তিনি জানেন না বলে দাবি করেন। তার ভাষ্য, সেখানে বসে আড্ডা দিত এবং সিগারেট খেত—এটুকুই আমার জানা। স্বামীর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কেও তিনি কিছু বলতে পারেননি।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। বাগানের ভেতরে এমন একটি আস্তানার বিষয়ে আমরা খবর পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

 তথ্য সূত্রঃ আরটিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ