তালা উপজেলার বিশেষত দলিত ও হতদরিদ্র অধ্যুষিত গ্রামগুলোর মানুষ দীর্ঘদিন ধরে সু-পেয় পানির সংকটে রয়েছে। গ্রামের অধিকাংশ দরিদ্র মানুষ বছরের পর বছর অগভীর নলকূপের পানি পান করছে। কখনও কখনও অগভীর এই নলকূপে মাত্রার অতিরিক্ত আর্সেনিক-ও পাওয়া যায়। এই আর্সেনিক ও আয়যুক্ত পানি পান করে মানুষ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।
তালার দলিত আন্দোলনের নেতা ইমদাদুল হক জানান, তালা উপজেলার একাধিক দলিত অধ্যুষিত গ্রামে সু-পেয় পানির ব্যবস্থা নেই। একারনে গ্রামের মানুষরা আয়রন যুক্ত পানি পান করছে। এছাড়া কিছু কিছু নলকূপে আর্সেনিকের অস্তিত্ব দেখা যায়। এই আয়রন ও আর্সেনিক যুক্ত পানি পান করে মানুষ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

তিনি বলেন, দলিত জনবসতী এলাকায় সুপেয় পানি সরবারহ করার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড কনসার্ন নামের একটি বেসরকারি সংস্থা এগিয়ে এসেছে। গ্রামের দরিদ্র মানুষদের নিরাপদ পানি পানের সুযোগ দিতে ওয়ার্ল্ড কনসার্ন এনজিও তাদের নিজস্ব টাকা দিয়ে তালা উপজেলার ৪টি গ্রামে ৮টি গভীর নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এগুলো স্থাপিত হলে হাজার-ও মানুষ সু-পেয় পানি পান ও ব্যবহারের সুযোগ পাবে।
এবিষয়ে ওয়াার্ল্ড কনসার্ন (বাংলাদেশ) এর প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রদুষ মানকিন জানান, ওয়ার্ল্ড কনাসার্ন ১৯৯১ সাল থেকে স্থানীয় সরকার এবং প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে দরীদ্র মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করে আসছে। তিনি বলেন, সংস্থার উদ্যোগে তালা উপজেলায় আলো প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের সহায়তায় তালা সদর ইউনিয়নের খানপুর ও আটারই এবং খলিলগর ইউনিয়নের মাছিয়াড়া ও গোনালী গ্রামে ৮টি গভীর নলকূপ স্থাপিত করা হবে।
এই নলকূপগুলো স্থাপিত হলে গ্রামের দরিদ্র শ্রেণির শত শত মানুষ সু-পেয় পানি পান এবং ব্যবহারের সুযোগ পাবে।