July 26, 2026, 12:51 pm
শিরনাম :
এহসান মোর্শেদ পিয়াল কে আহবায়ক করে মূলঘর ইউনিয়ন “মুক্তিযোদ্ধো প্রজন্ম সংসদ” এর আহবায়ক কমিটি গঠিত। পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

বাগেরহাটে ভবনের সানসেড নির্মান করার প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন

এস এম রাজ, বিশেষ প্রতিনিধি

বাগেরহাটে ভবনের সানসেড নির্মান করার প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন

বাগেরহাটে আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে ভবনের সানসেডে নির্মান করার প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে সিরাজুল ইসলামসহ তার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার। রবিবার (০৫এপ্রিল) সকালে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ক্ষতিগ্রস্ত সিরাজুল ইসলাম।
লিখিত বক্তব্যে সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমার প্রতিবেশী লিটন কুমার মিস্ত্রী এবং তার স্ত্রী সীমা রানী দে এবং তার বড় ভাই বিপুল মিস্ত্রির সাথে সিমানা সংক্রান্ত একটি বিবাদ দির্ঘদিন ধরে চলমান। বিষয়টি কে মূল ইস্যু করে
ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে আমার প্রতিবেশীর যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে আমি তাতে উদ্বেগ্ন। আমি আমার উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমিতে তিন তলা ভবনে বহুকাল
যাবত বসবাস করছি। পাশের উত্তর সীমানায় আমার চাচা থাকতেন, চাচার মৃত্যুর পর আমার চাচী শরীফা হাকিম মৌখিক বুনিয়াদে একটি তঞ্চকি ডিক্রি নং ৪২/৯৭
প্রস্তুত করে যা পূর্বেই আমার খরিদি (দলিল নং ৭০৭) নং দলিলে এবং
উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই জমি আমার বর্তমান প্রতিবেশী সীমা রানী দে স্বামী লিটন মিস্ত্রি খরিদ করে। যাহা ২৭৩/২১ এবং ৩৪০/২১ মামলা দ্বারা ডিক্রির কার্যকারিতা আদালত স্থগিত করে। পরবর্তীতে তারা আমার দীর্ঘদিনের
গেটের উপরে এবং আমার ছাদের নিচে বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের কিছু লোক নিয়ে একটি সানসেট নির্মান করার প্রাক্কালে আমি বাধা দেই এবং বলি মামলা চলা
অবস্থায় এটি বলায় তারা আমার উপর হামলা করতে আসে
আমি নিরুপায় হয়ে এলাকার লোকদের সাথে কথা বলি কিন্তু তাতে কোন কাজ হয় না।
সবাই ফ্যাসিষ্ট সরকারের কারনে সরে যায় এবং প্রতিবেশীরা আমাকে আদালতে
যাওয়ার কথা বললে আমি নিরুপায় হয়ে ন্যায় বিচার পাওয়ার উদ্দেশ্যে এডিএম কোর্টে ও পৌরসভায় নালিস দেই। পরবর্তীতে পৌরসভা থেকে ০৫নভেম্বর ২০২৫ তারিখ নোটিশে তাদের বেআইনি ভাবে সানসেট নির্মানের কারন দর্শাতে বলে এবং তাদের
নিজ খরচে সানসেটটি ভেঙ্গে দিতে বলে। কিন্তু তারা না মেনে সানসেট টি ভাংতে বলায় তারা আমার উপর হামলা করলে এক পর্যায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি
হয়। আমি এবিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করি। শুনেছি তারাও একটি অভিযোগ
দাখিল করেছে।
তিনি আরো বলেন, এখন তারা আদালত বা কোন কাগজ পত্রের তোয়াক্কা না করে তারা
তাদের সংখ্যালঘু কার্ডকে কাজে লাগিয়ে বিষয়টি কে একটি সম্প্রদায়িক ইস্যু বানিয়ে ভিন্ন খাতে ঘটনা প্রবাহিত করছে যা সত্যিই উদ্বেগ জনক।
আমি দৃড়তার সাথে বলছি, দলিল পত্র যাচাই করে আদালত বা প্রশাসন সঠিক বিচার করলে প্রতিবেশিরা তাদের ভুল বুঝতে পারবেন। আর আমার বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগ মিথ্যা হলে আমি তার ন্যায় বিচার দাবী করছি। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ