July 26, 2026, 12:48 pm
শিরনাম :
এহসান মোর্শেদ পিয়াল কে আহবায়ক করে মূলঘর ইউনিয়ন “মুক্তিযোদ্ধো প্রজন্ম সংসদ” এর আহবায়ক কমিটি গঠিত। পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

কৃষি জমিতে লবণ পানি তোলার প্রতিবাদে বাগেরহাটে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

এস এম রাজ, বিশেষ প্রতিনিধি

কৃষি জমিতে লবণ পানি তোলার প্রতিবাদে বাগেরহাটে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন

বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে প্রভাবশালীরা জোরপূর্বক লবন পানি প্রবেশ করাচ্ছেন। এর ফলে ইউনিয়নের অন্তত ৮ হাজার একর জমির ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এদিকে কষ্টের ফসল রক্ষায় শনিবার (০৪ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।
এসব কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সাংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য বিল্লাল হোসেন অপু, স্থানীয় কৃষক এম আরাফাত হোসেন, ফজলে রাব্বি, নাজুম হাসান, গোলাম মৌওলা, রবিউল ইসলাম, আলি রাজ ও মোঃ সোনাইমানসহ স্থানীয় কৃষকরা অংশগ্রহন করেন।
কৃষকরা অভিযোগ করেন, মাছ চাষের জন্য ডেমা ইউনিয়ন ঘীরে অকেনগুলো স্লুইস গেট ও খাল-নদীর গেট দিয়ে পানি উঠাচ্ছেন অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। যার ফলে লবন পানিকে অনেক ধান ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, আরও ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। হতদরিদ্র কৃষকদের ধান রক্ষায় অতিদ্রুত লবন পানি প্রবেশ বন্ধ করার দাবি জানান কৃষকরা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সাংসদ-ডাকসু`র কার্যনির্বাহী সদস্য বিল্লাল হোসেন অপু বলেন, আমার বাড়ি বাগেরহাটের বেশিরভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু স্বল্প সংখ্যক প্রভাবশালী মানুষরা চিংড়ি চাষ করার জন্য লবন পানি প্রবেশ করাচ্ছেন। আবার কেউ কেউ নতুন করে লবন পানি প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে। এতে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে, ইউনিয়নের অন্তত ৮ হাজার একর জমির ধান নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কৃষকদের বাঁচাতে লবন পানি প্রবেশ বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন কৃষকরা।
কৃষক আরাফাত হোসেন বলেন, ৫২ শতকের এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে ৮ থেকে ১২ হাজার টাকা ব্যয় হয়। আর যারা নগদ টাকায় জমি রেখে ধান চাষ করে তাদের ব্যয় আরও বেশি। এক মাসের মধ্যেই বেশিরভাগ ধান পেকে যাবে। এখন যদি লবন পানি প্রবেশ করায়, তাহলে আমাদের মত কৃষকদের বাঁচার আর পথ থাকবে না। এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান কৃষকরা।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বাগেরহাট জেলায় চলতি মৌসুমে এক লক্ষ ৬৮ হাজার ১৭১ একর জমিতে বোরো চাষ করেছেন কৃষকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ