ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের বিএনপি তিন জামায়াতে একটিতে জয়লাভ করেছে।
জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বেসরকারিভাবে এই ফলাফল ঘোষণা করেন।
ফরিদপুর-১ ( আলফাডাঙ্গা- বোয়ালমারী-মধুখালী) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ৫৪ হাজার ১৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্যা। মোট ১৯৮ ভোট কেন্দ্রে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী খন্দকার নাসিরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৪৭৬ ভোট।
ফরিদপুর-২ (সালথা ও নগরকান্দা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু বে সরকারীভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ১১৭টি ভোট কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী ১২০৯০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের রিকশা মার্কার প্রার্থী শাহ মো. আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৭৯৫৬ ভোট। এ আসনে শামা ওবায়েদের ৩২৯৫৩ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন তিনি।
ফরিদপুর-৩ (ফরিদপুর সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ১১৫ ভোট। এই আসনে দুই প্রধান প্রার্থীর মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে।
ফরিদপুর -৪ (ভাঙ্গা-সদরপুর-চরভদ্রাসন) ফরিদপুর-৪ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী এ এ এম মুজাহিদ বেগ ফুটবল প্রতীকে ৫৬ হাজার ১৬০ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন। শহিদুল ইসলাম খান বাবুল বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী ৫১ হাজার বেশী ভোট পেয়ে তিনি বিজয় অর্জন করেছেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল আহসান মোল্যা জানান, ডাকযোগের ভোটসহ প্রতিটি কেন্দ্রের ফলাফল সমন্বয় করে এই চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। পুরো জেলায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এখন আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে।