কয়রা উপজেলা বিএনপির আয়ােজনে খুলনা-৬ আসনের ধানের প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পির পক্ষে গনমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার ((৯ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪ টায় কপোতাক্ষ কলেজ থেকে গনমিছিলটি শুরু হয়ে কয়রা উপজেলা সদরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। গনমিছিলে হাজার হাজার নেতাকর্মী অংশ গ্রহন করেন।
মিছিলের পুর্বে কলেজ মাঠে এক সংক্ষিপ্ত আলােচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন খুলনা- ৬ আসনে ধানের শীষের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পি। “কয়রার মানুষের প্রথম চাহিদা নিরাপদ বেড়িবাঁধ। বাঁধ টেকসই না হলে কৃষক বাঁচবে না, বনজীবীর জীবনও নিরাপদ থাকবে না। আমি নির্বাচিত হলে আধুনিক ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, কৃষকদের জন্য ন্যায্যমূল্য ও সহায়তা নিশ্চিত করা এবং বনজীবীদের নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনে কার্যকর উদ্যোগ নেব। পাশাপাশি কয়রায় একটি ২৫০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল স্থাপনের জন্য আমি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাব।”
এতে আরও বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা যুবদলের সদস্য সচিব নাদিমুজ্জামান জনি, খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক কে,এম আশরাফুল ইসলাম নান্নু, কয়রা উপজেলা বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক নুরুল আমিন বাবুল, সদস্য সচিব জেলা বিএনপির সদস্য এম,এ হাসান, জেলা বিএনপির সদস্য মনিরুজ্জামান বেল্টু, বিএনপি নেতা এ্যাডঃ শেখ আব্দুর রশিদ, জিএম মাওলা বকস, সরদার মতিয়ার রহমান, মোঃ শরিফুল আলম, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, এফ এম মনিরুজ্জামান মনি, অ্যাডভােকেট মনজুরুল আলম নান্নু, অ্যাডভােকেট নজরুল ইসলাম,আব্দুর রহিম সানা, জিএম রফিকুল ইসলাম,হাবিবুর রহমান, নাজমুল হুদা, আব্দুর সামাদ, শেখ সিরাজুল ইসলাম, শেখ সালাহ উদ্দিন লিটন, গাজী সিরাজুল ইসলাম, শেখ সালাউদ্দিন লিটন, মহররম বিল্লাহ, কোহিনুর আলম, আবুল বাশার ডাবলু, মঞ্জুর মোর্শেদ, যুবদল নেতা ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুর রহমান শােভন, মােতাসিম বিল্লাহ, ইহছানুর রহমান, কাজল, আকবার হোসেন , ডাবলু, আছাদুল, দেলোয়ার, কৃষক দল নেতা এস এম গােলাম রসুল, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নুরুল ইসলাম খােকা, ডিএম হেলাল উদ্দিন, প্রভাষক রবিউল ইসলাম, মহিলা দলের নেত্রী দিলরুবা মিজান, সুরাইয়া সুলতান, জাসাসের জামাল ফারুক জাফরীন, ডাঃ আমিনুল ইসলাম, শ্রমীক দল নেতা আকবার, হোসেন, আঃ রউফ, ছাত্রদল নেতা আরিফ বিল্লাহ সবুজ, মাহামুদ হাসান, আলমগীর হােসেন, ইমরান হােসেন প্রমুখ।
কয়রা উপজেলার প্রধান সড়কজুড়ে সোমবার বিকেলে ধানের শীষের গণমিছিলে হাজারো মানুষের ঢল নামে। ব্যানার–ফেস্টুন হাতে মিছিলকারীরা স্লোগানে মুখর করেন পুরো এলাকা। দূর–দূরান্তের গ্রাম থেকে আসা কৃষক, জেলে ও বনজীবীদের অংশগ্রহণে জনসমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো।