ঝালকাঠি-১ (কাঁঠালিয়া-রাজাপুর) আসনের রাজনৈতিক আকাশে এক আলোকিত নক্ষত্রের নাম হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা। তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন তিনি এই জনপদের সন্তান, মানুষের সুখ-দুঃখের নির্ভরতার নাম, হাজারো হৃদয়ের আশ্রয়। তাঁর পদচারণা যেন একটি প্রতিশ্রুতির প্রতিধ্বনি: আমি আছি তোমাদের পাশে, সবসময়।
ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতির হাতেখড়ি হলেও তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার এক নিরন্তর লড়াই।
তিনি প্রবাসে থেকেও স্বৈরাচার আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে এবং গনতন্ত্রের জন্য ভোটের অধিকারের জন্য আন্দোলন করেছেন অগ্রভাগে।
তাঁর জীবনকথা যেন এক মানবিক উপাখ্যান। প্রতিটি বিপদে, প্রতিটি দুর্যোগে, প্রতিটি ন্যায়ের লড়াইয়ে সবার আগে দেখা গেছে তাঁকে। কে কৃষকের চোখের জল মুছে দিয়েছেন। কে ছাত্রের পাশে দাঁড়িয়েছেন বই-খাতা নিয়ে। কে হাসপাতালের বেডে দাঁড়িয়ে অসুস্থকে সাহস জুগিয়েছেন? উত্তর একটাই সেলিম রেজা ভাই।
এই জনদরদি মানুষটি রাজনীতিকে দেখেছেন মানুষের সেবা হিসেবে, পদ নয় একটি পবিত্র দায়িত্ব হিসেবে। তাইতো তাঁর কাছে দল-মত নয়, মুখ্য ছিল মানুষের মুখের হাসি। তাঁর দানশীলতা, বিনয় ও মানবিকতা তাঁকে জনমানুষের হৃদয়ের কাছাকাছি এনে দিয়েছে; যেন তিনি নেতা নন, আমাদের পরিবারের একজন আপনজন।
আজ এই জনপদে মানুষের একটাই প্রত্যাশা—বিএনপি’র মনোনয়নে যদি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা প্রার্থী হন, তবে তাঁর বিজয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। কারণ এই মানুষটি যে ভালোবাসা, যে আস্থা, যে নিরন্তর সেবা দিয়ে গেছেন তার প্রতিদান মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিতেই চায়।
কাঁঠালিয়ার গ্রামের মেঠোপথ থেকে শুরু করে রাজাপুর শহরের মোড় পর্যন্ত, বাজার থেকে মসজিদ, হাট থেকে হাইস্কুল সবখানে এখন একটি নাম ধ্বনিত হয় শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সেলিম রেজা ভাই আসুক, আমাদের মানুষটারই দরকার!
খেটে খাওয়া দিনমজুর, কৃষকের কুঁড়েঘর, মায়ের চোখে জল, তরুণের স্বপ্ন কিংবা প্রবাসীর কণ্ঠে আশা সব জায়গায় প্রতিফলিত হয় একটিই প্রতিচ্ছবি সেলিম রেজা ভাই মানেই ভরসা, মানেই উন্নয়ন, মানেই ন্যায়ের প্রতীক।
জনগণের কণ্ঠে আজ একটাই দাবি: আমরা নেতা চাই না, আমরা চাই আমাদের সেলিম রেজা ভাইকে জনগণের সেবক হিসেবে, আগামীর এমপি হিসেবে।