July 26, 2026, 12:50 pm
শিরনাম :
এহসান মোর্শেদ পিয়াল কে আহবায়ক করে মূলঘর ইউনিয়ন “মুক্তিযোদ্ধো প্রজন্ম সংসদ” এর আহবায়ক কমিটি গঠিত। পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

বাগেরহাটে জননিরাপত্তা আইনে মামলা থেকে অব্যহতি পেলেন এমপি সেলিম

বার্তা সম্পাদক

বাগেরহাটে জননিরাপত্তা আইনে মামলা
থেকে অব্যহতি পেলেন এমপি সেলিম

সৈয়দ জালিস মাহমুদ
নিউজ ডেস্ক।

বাগেরহাটে দীর্ঘ ২ যুগ পর হয়রানি মূলক মামলায় অব্যাহতি পেলেন জেলা
বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম।
মঙ্গলবার(৩০ সেপ্টেম্বর)
দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আব্দুস সবুর এর আদালতে হাজির হয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত এমপি সেলিম সহ ১৩ আসামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানাযায়, ২০০১ সালে রেলরোডস্থ আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সেলিম সহ ৩০-৩৫ জনের নামে নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে । আসামি পক্ষের আইনজীবী
শেখ নুরুল ইসলাম বলেন, এই মামলায় ইতিপূর্বে জেলা বিএনপির ২ জন সাবেক
সাধারন সম্পাদক শামসুল আলম তালুকদার ও অধ্যাপক আলী রেজা বাবু মৃত্যু বরন করায় তাদের ২জন বাদে এমএএইচ সেলিমসহ ১৩ জন আসামি ছিলেন।
২০০১ সালের জননিরাপত্তা আইনের মামলাটি দীর্ঘদিন আদালতে স্থগিত অবস্থায় ছিল।
অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত- ১ আজ (মঙ্গলবার) পূর্ণাঙ্গ শুনানি শেষে এই
মামলার দায় থেকে আসমীদের অব্যাহতি প্রদান করেন।
এ সময়ে এম এ এইচ সেলিম বলেন,
দীর্ঘদিন মামলাটি স্থগিত অবস্থায় ছিল। নিরপেক্ষ সরকার আসার পর বিজ্ঞ আদালত আমাদের মামলা থেকে
অব্যাহতি দিয়েছেন।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া ও
আয়না ঘরে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আমাকে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। দল যদি আমাকে আবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি আবারও নির্বাচন করব। এমএএইচ সেলিম ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ