September 16, 2026, 5:53 am
শিরনাম :
বটিয়াঘাটায় জৈব পদ্ধতিতে সবজি চাষ ও পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুস্ঠিত। বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাবে কালীগঞ্জের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র-এমপি, ফজলূল হক মিলন

বাগেরহাটে জননিরাপত্তা আইনে মামলা থেকে অব্যহতি পেলেন এমপি সেলিম

বার্তা সম্পাদক

বাগেরহাটে জননিরাপত্তা আইনে মামলা
থেকে অব্যহতি পেলেন এমপি সেলিম

সৈয়দ জালিস মাহমুদ
নিউজ ডেস্ক।

বাগেরহাটে দীর্ঘ ২ যুগ পর হয়রানি মূলক মামলায় অব্যাহতি পেলেন জেলা
বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম।
মঙ্গলবার(৩০ সেপ্টেম্বর)
দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আব্দুস সবুর এর আদালতে হাজির হয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন।
শুনানি শেষে আদালত এমপি সেলিম সহ ১৩ আসামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানাযায়, ২০০১ সালে রেলরোডস্থ আওয়ামী লীগ অফিস ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সেলিম সহ ৩০-৩৫ জনের নামে নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করে। পরবর্তীতে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে । আসামি পক্ষের আইনজীবী
শেখ নুরুল ইসলাম বলেন, এই মামলায় ইতিপূর্বে জেলা বিএনপির ২ জন সাবেক
সাধারন সম্পাদক শামসুল আলম তালুকদার ও অধ্যাপক আলী রেজা বাবু মৃত্যু বরন করায় তাদের ২জন বাদে এমএএইচ সেলিমসহ ১৩ জন আসামি ছিলেন।
২০০১ সালের জননিরাপত্তা আইনের মামলাটি দীর্ঘদিন আদালতে স্থগিত অবস্থায় ছিল।
অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত- ১ আজ (মঙ্গলবার) পূর্ণাঙ্গ শুনানি শেষে এই
মামলার দায় থেকে আসমীদের অব্যাহতি প্রদান করেন।
এ সময়ে এম এ এইচ সেলিম বলেন,
দীর্ঘদিন মামলাটি স্থগিত অবস্থায় ছিল। নিরপেক্ষ সরকার আসার পর বিজ্ঞ আদালত আমাদের মামলা থেকে
অব্যাহতি দিয়েছেন।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া ও
আয়না ঘরে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আমাকে বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। দল যদি আমাকে আবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি আবারও নির্বাচন করব। এমএএইচ সেলিম ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।
তিনি ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ