July 25, 2026, 9:19 pm
শিরনাম :
পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী মেদনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মাঠে রফিকুল ইসলাম খান

রাজাপুরে কাগজে-কলমে এতিম শিক্ষার্থী থাকলেও, বাস্তবে নেই -সরকারি বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার সাহিত্যিক অধ্যক্ষ মো. ইসমাইল হোসেন এতিমখানা নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। কাগজপত্রে যেখানে কয়েক ডজনখানেক এতিমের কথা উল্লেখ আছে, অনুসন্ধানে দেখা গেছে বাস্তবে এতিম সংখ্যা তার চেয়ে অনেক কম। সরকারি বরাদ্দের অর্থ শিশুদের খাদ্য, পোশাক ও শিক্ষায় ব্যয় না হয়ে আত্মসাত করে অন্য খাতে ব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

‎উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সূত্রে জানা গেছে, এতিমখানাটিতে ৩৮ জন এতিমের নামে প্রতিবছর প্রায় ৯ লাখ ১২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, বরাদ্দ পাওয়া প্রতি এতিমের বিপরীতে দ্বিগুণ শিক্ষার্থী থাকার কথা। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখা গেছে, ৭৬ জনের বেশি থাকার কথা থাকলেও প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত বসবাস করে মাত্র ৬-৭ জন শিশু।


‎প্রতিষ্ঠানের বাবুর্চি জানান, তিনি দৈনিক ১৫-১৬ জনের জন্য রান্না করেন। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, “সরকার এতিমদের জন্য যে অর্থ দেয় তা দিয়ে কর্তৃপক্ষ ভবন নির্মাণ, বাবুর্চি ও হুজুরের বেতন দেয়, কিন্তু এতিমদের উন্নয়নমূলক কাজে নগণ্য অংশ ব্যয় করা হয়।”

‎এক অভিভাবক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এতিমখানায় আসলে কোনো পূর্ণাঙ্গ আবাসন ব্যবস্থা নেই। কাগজে-কলমে দেখানো হয় যে সব শিশু এখানেই থেকে পড়াশোনা করছে, কিন্তু অধিকাংশ সময় ভবন ফাঁকা থাকে।” এ বিষয়ে ভালো কাঠি জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহনাজ পারভিন এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি।

‎রাজাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল এর কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় শুনে ফোন কেটে দেন। ‎‎এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, কাগজপত্রে চেয়ে বর্তমানে কম আছে। মাদ্রাসায় ছাত্ররা থাকে না পালিয়ে বাড়ি চলে যায়।

‎স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, প্রকৃত এতিমদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে অবিলম্বে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ