July 26, 2026, 8:52 am
শিরনাম :
এহসান মোর্শেদ পিয়াল কে আহবায়ক করে মূলঘর ইউনিয়ন “মুক্তিযোদ্ধো প্রজন্ম সংসদ” এর আহবায়ক কমিটি গঠিত। পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সেলিমুজ্জামান সেলিম জনপ্রিয়তার শীর্ষে

মোহাম্মদ আম্মার মিয়া (অসীম), গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসনে (কাশিয়ানী-মুকসুদপুর) বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয়তা আর আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম অধিকাংশ মানুষ তাদের প্রার্থী হিসেবে তার মনোনয়ন কামনা করছেন।

ছাত্র রাজনীতির সকল পর্যায়ের নেতৃত্বে থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা শেষ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রাজনীতির পথচলা শুরু করেন। এরপর তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য এবং যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব সামলান। বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ২০০৮ সালে বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে গোপালগঞ্জ-১ আসন কাশিয়ানী-মুকসুদপুর থেকে ভোটের লড়াই করছেন।

তিনি বিগত ৩৮ বছর যাবৎ কাশিয়ানী -মুকসুদপুর এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের সাথী হয়ে রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে অসাধারণ নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর ব্যক্তিত্বে যে বৈচিত্র্য ও গভীরতা আছে, যা তাঁকে একজন আদর্শ সংসদীয় আসনের নেতা হিসেবে উপযুক্ত বলে মনে করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। তার বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামে।

জিয়া পরিবারের আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত তিনি। অতি মিশুক, নিরহংকার জনবান্ধব। তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছেন। বহুকাল ধরে এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের পাশে নিরলসভাবে থাকছেন। কাশিয়ানী-মুকসুদপুর এলাকার মানুষের সেবক হতে চান তিনি। তিনি দক্ষিণবঙ্গের অবহেলিত জনপথ হিসেবে পরিচিত কাশিয়ানী -মুকসুদপুরে উন্নয়নে সার্বিক ভূমিকা রাখতে চান।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উন্নয়নের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে কাজ করছেন তিনি। তারেক রহমানও কাশিয়ানী-মুকসুদপুরের উন্নয়নের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ওই এলাকার উন্নয়নের চিত্র পাল্টে যাবে বলে মনে করেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের জনগণ ।

সেলিমুজ্জামান সেলিম, দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। বিশেষ করে দলটির থিঙ্কট্যাংক হিসেবে কাজ করছেন তিনি। জিয়া পরিবার, বিশেষ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে যুক্ত হন। দুঃসময়ে দলের পাশে থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার কারণে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন তিনি। বিগত ৩৮ বছর যাবৎ দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। বিগত দিনে দলের হাইকমান্ডের নির্দেশনায় বিগত স্বৈরাচার এরশাদের ও স্বৈরাচার শেখ হাসিনার অবৈধ সরকারের আমলে, দ্রব্য মূল্যের বৃদ্ধি, বিভিন্ন দাবি আদায়, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সমস্যা সমাধানে, জনসাধারণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট দাবি ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ অবৈধ সরকার পতন আন্দোলন কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ বহু কাজ করেছেন তিনি।

বিএনপি’র দলের প্রচার প্রচারণার দায়িত্বপূর্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কারণে পুলিশে নিয়ন্ত্রিত ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময়ে তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছিল। বিগত আওয়ামী দু:শাসনের দেড় দশকে তাকে নানাভাবে উৎপীড়ন করা হয়েছে । জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন পরিক্ষীত অনুসারী হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা শুধু দলের ভেতরেই নয়, সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও অকল্পনীয়। সেলিমুজ্জামান সেলিমের রাজনৈতিক যাত্রার শুরু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র রাজনীতির মধ্যে দিয়ে।

পরবর্তীতে জীবনে যথেষ্ট সফলতার পরও তিনি নিজ এলাকার বর্তমান কাশিয়ানী এম এ খালেক কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি, মুকসুদপুর উপজেলার জলিলপার বঙ্গরত্ন কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও মুকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি এবং জয়নগর এম, ইউ, সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা’র গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি এবং কাশিয়ানী-মুকসুদপুর অঞ্চলে দারিদ্র্য বিমোচন ও বহুমুখী সামাজিক উন্নয়নে সক্রিয় হন। রাস্তা-ঘাট,মসজিদ, স্কুল, মাদ্রাসা, হেফজখানা, স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ বহু প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়।

তিনি ইতোমধ্যে গোপালগঞ্জ-১ সংসদীয় আসনে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন। বিভিন্ন সভা-সমাবেশে উপস্থিত হয়ে তিনি বিএনপির পুনর্গঠনের লক্ষ্যে তৃণমূল কর্মীদের চাঙ্গা রাখছেন। এই অঞ্চলে তার সাংগঠনিক পরিচিতি যেমন শক্তিশালী তেমনি সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজের কারণে সাধারণ মানুষও তাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

কাশিয়ানী ও মুকসুদপুর বিভিন্ন এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে তিনি আগামী নির্বাচনের জন্য জনসমর্থনের ভীত গড়ে তুলেছেন।

সেলিমুজ্জামান সেলিমের জন্য একটি বড় সম্পদ হলো তৃণমূল নেতাকর্মীদের অকুণ্ঠ সমর্থন। অনেকেই বলেন, বিএনপিতে যারা দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে থেকেছেন, দমন-পীড়নের সময় দলীয় পতাকা বহন করেছেন, সেলিমুজ্জামান সেলিম তাদের অন্যতম। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ মজবুত, যার ফলে মাঠ পর্যায়ে অনেক সমস্যা দ্রুত সমাধান হয়।

এ সংসদীয় আসনের জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে বিশ্বাসী নেতাকর্মী সমর্থকদের প্রত্যাশা দল বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামের তথ্যচিত্র ও এলাকার জনপ্রিয়তা বিচার বিশ্লেষণ করেই সেলিমুজ্জামান সেলিমকে নমিনেশন দেবে। তাঁর মতো সৎ যোগ্য ও কর্মী বান্ধব নেতা গোপালগঞ্জ বিএনপিতে আর কখোন আসেনি বলেও দাবি তাদের।

মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু বলেন, গোপালগঞ্জ-১ আসন কাশিয়ানী- মুকসুদপুরে রয়েছে সেলিমুজ্জামান সেলিম এর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা, গোপালগঞ্জ বিএনপির ইতিহাসে তিনিই সবচাইতে জনপ্রিয় কর্মী ও জনবান্ধব নেতা।

মুকসুদপুর পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বশার টুলটু বিশ্বাস বলেন, আমার দেখা গোপালগঞ্জ বিএনপিতে এ পর্যন্ত সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কর্মী বান্ধব নেতা সেলিমুজ্জামান সেলিম, ভদ্র বিনয়ী সদালাপী ও দূর্দিনে কর্মী সমর্থকদের বুকে জড়ীয়ে রাখার কারণে, তাঁর প্রতি এলাকার তরুণ ভোটার, নারী ভোটার ও সাধারণ ভোটারদের রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তারেকুল ইসলাম রাজু বলেন, আমরা বিগত দিনের আন্দোলন সংগ্রামে সেলিমুজ্জামান সেলিম ভাইকে কাছে পেয়েছি। আমরা তাঁর নেতৃত্বে মুকসুদপুর উপজেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ এবং তৃনমূলে ভোটারদের কাছে আমরা যখন যাই তখন তারা একটা কথাই বলে, সেলিমুজ্জামান সেলিমের মত এমন কর্মী বান্ধব নেতা এই এলাকার নির্যাতিত নিপিড়ীত জনগণের প্রয়োজন, শত অন্যায় অত্যাচারের পরেও যে নেতা তাঁর কর্মীদের ভূলে যায় না। এগুণের কারণেই সাধারণ ভোটারদের মাঝে তার রয়েছে ব্যাপক আধিপত্য।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম খান বলেন, ২০০৮ সালের পর অনেক নেতা তওবা পড়ে দল ত্যাগ করেছে, কিন্তু সেলিমুজ্জামান সেলিম তাঁর নেতাকর্মীদের ছেড়ে যান নাই, ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলন কর্মসূচি, মামলা হামলায় তাঁকেই নেতাকর্মী সবসময় কাছে পেয়েছে, দল তাঁকেই নমিনেশন দেবে বলে এ আসনের জনসাধারণ মনে করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ