September 16, 2026, 2:49 pm
শিরনাম :
আইনমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বটিয়াঘাটায় জৈব পদ্ধতিতে সবজি চাষ ও পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুস্ঠিত। বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র

আইনমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

এস এম রাজ,, বিশেষ প্রতিনিধি

আইনমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

বাগেরহাটে জেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটির সভায় আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানের বক্তব্য খণ্ডিত ও বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তিনি জানান, আইনমন্ত্রীর বক্তব্যকে প্রকৃত প্রেক্ষাপট থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। একই সঙ্গে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কিংবা আইনমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা সম্পর্কে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, সকাল সাড়ে ৯টা থেকে আইনমন্ত্রী জেলা জজ আদালতের বিচারকদের সঙ্গে একটি নির্ধারিত বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকটি নির্ধারিত ব্যক্তিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে তিনিও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সিভিল সার্জন অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কক্ষে প্রবেশ করলে তাঁকে পরবর্তী জেলা আইন-শৃঙ্খলা ও উন্নয়ন কমিটির সভায় যথাসময়ে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সিভিল সার্জন অংশ নেন। সভা চলাকালীন সময়ে তিনি একাধিকবার মোবাইল ফোনে উচ্চস্বরে কথা বলেন এবং কিছু অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করেন, যা সভায় উপস্থিত অনেকের দৃষ্টিগোচর হয়। আইনমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালেও তাঁর মোবাইল ফোনে কথা বলার বিষয়টি নজরে আসে। “আমি তাঁর খুব কাছাকাছি বসে ছিলাম। আমার কাছে অন্তত মনে হয়নি যে তিনি তখন কোনো জরুরি বা গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক বিষয়ে কথা বলছিলেন।”

তিনি আরও জানান, “একটি ঘটনার সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট বাদ দিয়ে শুধু একটি অংশকে সামনে এনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। বাগেরহাটের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করা এবং জেলার সার্বিক উন্নয়নের জন্য যখন সম্মিলিতভাবে কাজ করা হচ্ছে, তখন একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন দুঃখজনক”। কোন মহল যেন ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ কৌশলে বিভাজন বা ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টির সুযোগ না পায় সেদিকে সবাইকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।

তিনি “ এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং বাগেরহাটের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি অনুরোধ—কোনো বক্তব্য বা ঘটনাকে মূল্যায়নের আগে তার সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট বিবেচনা করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন জানান, “বাগেরহাটের উন্নয়নের স্বার্থে এখন প্রয়োজন ঐক্য, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতা। একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাগেরহাট গড়ে তোলার জন্য যখন সম্মিলিত প্রচেষ্টা চলছে, তখন বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার সৃষ্টি না করে সবাইকে উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ