October 31, 2026, 1:53 pm
শিরনাম :
দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না –ডা. শফিকুর রহমান খুলনায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা, অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণের সিদ্ধান্ত কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে

মংলা ভূমি অফিসে নামজারিতে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা

এস এম রাজ,, বিশেষ প্রতিনিধি

মংলা ভূমি অফিসে নামজারিতে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ, জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা

বাগেরহাটের মংলা উপজেলা ভূমি অফিসে মিউটেশন (নামজারি) কার্যক্রমে অনিয়ম, হয়রানি ও ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা সনজিত মজুমদার। তিনি অভিযোগ করেন, ঘুষ না দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তার পৈতৃক সম্পত্তির নামজারি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত এবং জেলা প্রশাসকের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন তিনি।
সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ১২টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সনজিত মজুমদার এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পৈতৃক সম্পত্তির মিউটেশন ও নামজারির জন্য একাধিকবার আবেদন করলেও বিভিন্ন অজুহাতে তা খারিজ করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র দাখিল করেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি।
তিনি অভিযোগ করেন, মংলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের অফিস সহকারী নাইমুল ইসলাম প্রতিটি মিউটেশন মামলার জন্য ৩০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। তার দাবি, ওই টাকা না দিলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবেদনে স্বাক্ষর করবেন না বলে জানানো হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হন বলেও অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর প্রতিকার মেলেনি। ফলে তিনি ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ভোগান্তি ও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে দাবি করেন।
সনজিত মজুমদার বলেন, সরকারি নির্ধারিত ফি থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা দুর্নীতির শামিল এবং এতে সাধারণ সেবা প্রত্যাশীরা চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তিনি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত তার পৈতৃক সম্পত্তির নামজারি সম্পন্ন করার দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে মংলা সহকারী কমিশনার ভূমি নওশীনা আরিফ কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন তাদের ওয়ারিস কায়েম ঠিক না থাকার কারণে নাম জারি করেনি কাগজপত্র ঠিক করে আনলে নাম জারি করে দিব। সেবা ভোগী হয়তো কাঙ্খিত সেবা না পাওয়ার কারণে বিক্ষিপ্ত হয়ে অভিযোগ করতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ