July 25, 2026, 4:01 pm
শিরনাম :
মোরেলগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তালায় জলবায়ু পরিবর্তন, প্রভাব এবং করনীয় শীর্ষক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোটালীপাড়ায় অলিম্পিক কোম্পানির ডিলারের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড বাগেরহাটে বাল্যবিবাহ ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ফকিরহাটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন বাগেরহাট জেলায় শুরু হয়েছে স্মার্ট কৃষক কার্ড এর তথ্য সংগ্রহ কাঁঠালিয়ায় চলছে কৃষক স্মার্ট কার্ড তথ্য সংগ্রহ রাজপাড়া থানা পরিদর্শনে আরএমপি কমিশনার শ্যামনগরে বর্জ্য ও স্যানিটেশন কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কালীগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ

কয়রা খেজুরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনা অমান্য

জি এম তারিকুল ইসলাম, কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি

খুলনার কয়রা উপজেলায় ১২৭ নম্বর শিমলার আইট খেজুরডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বৃক্ষরোপণের নির্দেশনা অমান্য করার অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিন ১৮ জুলাই বিকালে যেয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয় চত্বরে কোন গাছ রোপন করা নেই। বিদ্যালয়ের মূল ফটকে ইংরেজি অক্ষরে ‘জয় বাংলা’ লেখা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা নূর ইসলাম মোল্লা বলেন, বিদ্যালয়ে কোন গাছের চারা রোপন করতে দেখিনি। স্থানীয় বিএনপি নেতা দিদারুল ইসলাম, যুবদল নেতা কামাল উদ্দিন, জিয়াউর রহমানসহ বেশ কয়েকজন জানান, প্রধান শিক্ষক আওয়ামী সমর্থিত হওয়ায় বিতর্ক তৈরি করতে ইচ্ছাকৃতভাবে দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করছেন। স্বৈরাচার সরকার পতনের দুই বছর অতিবাহিত হলেও এখনো জয় বাংলা শ্লোগান রেখে দিয়েছেন। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে গাছের চারা রোপন করেন নি, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে ১৫ জুলাই দেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফলজ, বনজ ও ঔষধি—এই তিন শ্রেণির সমন্বয়ে পাঁচটি করে গাছের চারা রোপণের নির্দেশনা দেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

নিজের অবহেলা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, ১৫ জুলাই আমরা চারা রোপণ করি নাই। তবে বিদ্যালয়ে ‘জয় বাংলা’ লেখা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি সম্পূর্ণ দায় এড়িয়ে গিয়ে বলেন, এমন শব্দ লেখা রয়েছে কিনা সেটা আমার জানা নাই, আমি কোনো দিন এই লেখা দেখি নাই।

কয়রা উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল আলম বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের এমন অবহেলা মেনে নেওয়া যায় না। গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর অতিবাহিত হওয়ার পরও সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিষিদ্ধ ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখা থাকাটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি করছি।

কয়রা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার তপন কুমার কর্মকার বলেছেন, গাছের চারা রোপনসহ আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট সকল লেখা ও ছবি সরিয়ে ফেলতে আমরা যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছিলাম। উপজেলায় পাঁচ জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার স্থলে মাত্র দুইজন রয়েছে। তারা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছেন। কেউ দায়িত্ব পালনে উদাসীনতার পরিচয় দিলে তদন্ত-পূর্বক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ