October 31, 2026, 9:45 am
শিরনাম :
খুলনায় সাংবাদিক সুরক্ষা ও কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা, অসহায়দের মাঝে খাদ্য বিতরণের সিদ্ধান্ত কচুয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপিত যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুয়াকাটায় দোয়া ও খাবার বিতরণ পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, পুজোয় সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘ ছুটি বন্ধ পশ্চিমবঙ্গে গ্রামীণ উন্নয়নে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর আশ্বাস মির্জাপুরে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার কাঁঠালিয়ায় শর্টবার ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে জামায়াতের পৌর শাখার কর্মী শিক্ষা বৈঠক অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে সারভর্তি ট্রাক পুকুরে দামুড়হুদার সীমান্তবর্তী মাঠে রাসেল ভাইপার সাপ আটক, বন বিভাগে হস্তান্তর

পবিপ্রবিতে জাল ভাউচারে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ

‎‍ মেহেরুন্নেছা লাবনী, পবিপ্রবি প্রতিনিধি

‎পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) এনিম্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন (এএনএসভিএম) অনুষদের বিরুদ্ধে জাল ভাউচার তৈরির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।
‎
‎২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর হল এবং সুলতানা রাজিয়া হলের উদ্যোগে ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থীদের জন্য নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই আয়োজনে নবীন শিক্ষার্থীদের আপ্যায়ন ও ফুলেল শুভেচ্ছার জন্য সম্পূর্ণ ব্যয় বহন করে হল কর্তৃপক্ষ।
‎
‎তবে এ ক্ষেত্রে এএনএসভিএম অনুষদের ডিন অফিসের মজুদ বহিতে বাজেটে উল্লেখ করা খরচে বিভিন্ন অসংগতি দেখা গেছে।
‎
‎অনুসন্ধানে জানা যায়, ওই বছরের ৯ জানুয়ারি ৩০০ শিক্ষার্থীর জন্য রোল, ডিম সিদ্ধ, ছানা এবং বক্স বাবদ ২৫ হাজার টাকার ভাউচার তৈরি করেন এএনএসভিএম অনুষদের তৎকালীন ডিন অধ্যাপক ড. ফয়সল কবির। কিন্তু হল কর্তৃপক্ষের দাবি, নবীনবরণ উপলক্ষে সব ব্যয় তারাই বহন করেছেন।
‎
‎এ বিষয়ে ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাইদুর রহমান বলেন, “নবীনবরণ অনুষ্ঠানটি দুটি হলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছিল। তবে আমার জানা মতে, এ আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুষদ থেকে কোনো ধরনের আর্থিক বরাদ্দ বা অর্থ সহায়তা পাওয়া যায়নি।”
‎
‎অন্যদিকে, একই বছরের ১২ জানুয়ারি ডিনের তৈরি আরও একটি ভাউচারে ৪০০ শিক্ষার্থীর জন্য রোল, ছানা ইত্যাদি বাবদ ২৫ হাজার টাকার ভাউচার পাওয়া যায়। কিন্তু ওই দিন ক্যাম্পাসে এ ধরনের কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়নি বলে জানা যায় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। অভিযোগ উঠেছে, জাল ভাউচার তৈরি করে ডিন একাধিক দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন। এ-সম্পর্কিত তথ্যাদি ইতোমধ্যে প্রতিবেদকের হাতে সংরক্ষিত আছে।
‎এছাড়াও, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনুষদের বেশ কিছু কর্মকর্তা জানান, সাবেক ডিন ড. ফয়সল কবির বিভিন্ন খরচ বাবদ পঁচিশ হাজার টাকার পঞ্চাশের অধিক জাল ভাউচার তৈরি করেছেন।
‎
‎এ বিষয়ে এএনএসভিএম অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. ফয়সল কবির বলেন, “আমি কোনো ধরনের আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নই। প্রতিটি ভাউচারের যথাযথ সমন্বয় করা হয়েছে এবং যে প্রক্রিয়ায় অর্থ বরাদ্দ এসেছে, একই নিয়ম মেনে তা ব্যয় করা হয়েছে।”
‎
‎এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান বলেন, “আমি আজই রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদান করেছি। এ বিষয়ে কিছুই জানি না। বিষয়টি আমার কাছে এলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ