September 15, 2026, 8:06 pm
শিরনাম :
বটিয়াঘাটায় জৈব পদ্ধতিতে সবজি চাষ ও পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুস্ঠিত। বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাবে কালীগঞ্জের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র-এমপি, ফজলূল হক মিলন

বান্দরবানে দূর হলো কুরাংপাড়া ও বাজারের পানির সংকট, স্বস্তিতে শতাধিক পরিবার

মো. ইসমাইলুল করিম, বান্দরবান প্রতিনিধি

কুরাং পাড়া ও কুরাং বাজার এলাকায় সৌলার প্যানেলের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করা হচ্ছে, পার্বত্য জেলার বান্দরবানের সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কুরাংপাড়া ও কুরাং বাজারের এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির সংকট দূর হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে বাস্তবায়িত সৌরবিদ্যুতচালিত পানি সরবরাহ প্রকল্পের মাধ্যমে এখন থেকে নিয়মিত পানি পাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা। এর ফলে শতাধিক পরিবারের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

রবিবার, (০৭ জুন) বিকেলে কুরাং পাড়া ও কুরাং বাজার এলাকায় সোলার প্যানেলভিত্তিক পানি সরবরাহ করে এলাকার পানি সংকট দূর করা হয়।

স্থানীয় ও ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা যায়, জেলা শহর থেকে ৩৭ কিলোমিটার দূরে টংকাবতী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কুরাং পাড়া ও কুরাং বাজার। এখানকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সুপেয় পানির তীব্র সংকটে ভুগছিলেন। এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে স্থানীয় সরকার বিভাগের থোক বরাদ্দ থেকে প্রায় সাড়ে ৯লাখ টাকা ব্যয়ে সৌরবিদ্যুতচালিত পানি সরবরাহ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ হাজার ৪০০ ফুট নিচু স্থান থেকে সৌর বিদ্যুৎচালিত মোটরের মাধ্যমে টংকাবতী খালের উজান থেকে পাহাড়ের ওপরে পানি উত্তোলন করা হয়। এভাবে কুরাং বাজার ও আশেপাশের এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার লিটার পানি পাচ্ছেন স্থানীয়রা।

ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটির সুবিধাভোগীর মধ্যে রয়েছে কুরাং বাজারের ৭৮টি দোকান এবং ৪০টিরও বেশি পরিবার। কুরাং বাজার টংকাবতী ইউনিয়নের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে পরিচিত। এটি টংকাবতী ইউনিয়ন ছাড়াও রুমা উপজেলার গ্যালেংগ্যা ইউনিয়ন, লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কাপ্রু পাড়া এবং গজালিয়া ইউনিয়নের ডলা পাড়াসহ আশে পাশের এলাকার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র। স্থানীয়দের আশা, প্রকল্পটি টেকসইভাবে পরিচালিত হলে কুরাং পাড়া ও কুরাং বাজার এলাকায় নিরাপদ পানির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কুরাং বাজার কমিটির সভাপতি মেন চা ম্রো বলেন, আগে ঘরের মা-বোনদের দৈনন্দিন ব্যবহারের পানি সংগ্রহ করতে হতো দেড় হাজার ফুট পাহাড়ের নিচ থেকে। পানি সংগ্রহ করতেই নারীদের দিন চলে যেতো। এখন বাড়ির আঙিনায় পানির সুবিধা পেয়ে সেই দীর্ঘদিনের পানি সংকট দূর হয়েছে, মা-বোনেরা খুশি হয়েছেন। সেই সঙ্গে বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা অনেক উপকৃত হবেন।

টংকাবতী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাংয়াং ম্রো প্রদীপ বলেন, কুরাং পাড়া ও কুরাং বাজারের এলাকাবাসী দীর্ঘদিন সুপেয় পানির তীব্র সংকটে ভুগছিলেন। স্থানীয় সরকারের বরাদ্দে সৌরবিদ্যুতচালিত মোটরের মাধ্যমে টঙকাবতী খালের উজান থেকে পানি উত্তোলন করে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিনের পানি সংকটের সমাধান হয়েছে। এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ