September 16, 2026, 3:37 pm
শিরনাম :
আইনমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বটিয়াঘাটায় জৈব পদ্ধতিতে সবজি চাষ ও পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুস্ঠিত। বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র

দুমকিতে আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে ঘর নির্মাণের অভিযোগ, এলাকায় উত্তেজনা

‎এস ইমরান নাজির, ‎দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের চরগরবদি এলাকায় বিরোধপূর্ণ জমিতে আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সালা-দুলাভাইয়ের মধ্যে চলমান বিরোধ নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

‎স্থানীয় সূত্র ও মামলার নথি থেকে জানা যায়, জোয়ারগরবদি মৌজার এসএ ৬৮/৬৯ এবং বর্তমান বিএস ৩৫৫ খতিয়ানের রেকর্ডভুক্ত মালিক রুস্তম আলীর ওয়ারিশদের কাছ থেকে পৃথক কবলা দলিলের মাধ্যমে প্রায় ৪২ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন চরগরবদি গ্রামের বাসিন্দা মো. গোলাম রাব্বানী। পরে তিনি ওই জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন।

‎পরবর্তীতে একই খতিয়ানভুক্ত জমি থেকে বোনের জামাতা ফারুক হোসেনের নামে ৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ জমি ক্রয় করে দেন গোলাম রাব্বানী। তবে জমির সীমানা ও ভাগবণ্টন নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এ নিয়ে একাধিকবার উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। একপর্যায়ে বিষয়টি আদালতে গড়ায়।

‎এ ঘটনায় গোলাম রাব্বানী ২০২২ সালে পটুয়াখালী জেলা যুগ্ম জজ আদালতে দেওয়ানি মামলা নং-৩৫৯/২০২২ দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। আদালত বিরোধপূর্ণ জমির ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন বলে জানা গেছে।

‎অভিযোগ রয়েছে, আদালতের ওই নির্দেশনা উপেক্ষা করে রবিবার (১০ মে) ফারুক হোসেন বিরোধীয় জমিতে বিদ্যমান ঘরের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রায় ১০ ফুট অংশ বৃদ্ধি করে নির্মাণকাজ শুরু করেন।

‎গোলাম রাব্বানী অভিযোগ করে বলেন, “আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে ফারুক ঘর নির্মাণের কাজ করেছে। বিষয়টি জানার পর আমার বাবা থানায় গেলেও তা গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হয়নি।”

‎তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ফারুক হোসেন। তিনি বলেন, “আমি আমার বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমিতেই কাজ করছি। নতুন কোনো ঘর নির্মাণ করা হয়নি, শুধু আগের ঘরের ভেতরের কিছু কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই সেখানে আমার বসতঘর রয়েছে। ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে আমাকে হয়রানি করতে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।”

‎এ বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ