July 26, 2026, 7:33 am
শিরনাম :
এহসান মোর্শেদ পিয়াল কে আহবায়ক করে মূলঘর ইউনিয়ন “মুক্তিযোদ্ধো প্রজন্ম সংসদ” এর আহবায়ক কমিটি গঠিত। পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

কোটালীপাড়ায় প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান, আত্মহত্যার হুমকি

কামরুল হাসান, কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক প্রেমিকা (২৫)।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) সকাল থেকে তিনি কোটালীপাড়া পৌরসভার ডহরপাড়া গ্রামে প্রেমিক সজল বালার বাড়িতে অবস্থান করছেন।

অভিযুক্ত সজল বালা ডহরপাড়া গ্রামের শীতল বালার ছেলে। তিনি স্থানীয়ভাবে একজন সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবে পরিচিত এবং মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সঙ্গীত শিক্ষক। অন্যদিকে প্রেমিকা পেশায় নার্স।

প্রেমিকার দাবি, সজলের মা ও তার বাবা ব্যবসায়িকভাবে অংশীদার। একটি ক্লিনিকে দুই পরিবারের যৌথ বিনিয়োগ রয়েছে। প্রায় ছয় মাস আগে ওই ক্লিনিকে নার্স হিসেবে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরই সজলের সঙ্গে তার পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

তিনি অভিযোগ করেন, এই সময়ের মধ্যে তারা গোপালগঞ্জ শহর ও কোটালীপাড়ার বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করেন। একপর্যায়ে সজল বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরবর্তীতে বিয়ের বিষয়টি জানালে সজলের পরিবার এতে আপত্তি জানায় এবং তাকে দূরে সরিয়ে রাখে।

প্রেমিকার ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে তিনি কোটালীপাড়া থানায় অভিযোগ করেন। পুলিশ দুই পক্ষকে ডেকে পাঠালেও সজল বা তার পরিবারের কেউ উপস্থিত হননি। পরে তাকে আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, গত ১লা বৈশাখে উপজেলা সদরে সজলের সঙ্গে তার শেষ দেখা হয়। এরপর থেকে সজল তার সঙ্গে যোগাযোগ এড়িয়ে চলছেন। শনিবার সকালে তিনি সজলের বাড়িতে গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে জানান, সজল বাড়িতে নেই এবং তাকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

এ অবস্থায় বিয়ের দাবি পূরণ না হলে আত্মহত্যার হুমকিও দেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্তের মা অঞ্জনা বালা বলেন, “আমার ছেলেকে ফাঁসানোর জন্য ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা করা হবে।”

অভিযুক্ত সজল বালা পার্থর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

কোটালীপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, প্রেমঘটিত বিষয়ে পূর্বে একটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। তবে অভিযুক্ত পক্ষ থানায় উপস্থিত না হওয়ায় অভিযোগকারীকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সফর আলী বলেন, প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অবস্থান বা অনশন সংক্রান্ত কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ