July 26, 2026, 3:58 am
শিরনাম :
এহসান মোর্শেদ পিয়াল কে আহবায়ক করে মূলঘর ইউনিয়ন “মুক্তিযোদ্ধো প্রজন্ম সংসদ” এর আহবায়ক কমিটি গঠিত। পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

‘বিএনপি চব্বিশের গণ‌অভ্যুত্থানের আয়নায় নিজেদের ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায় না’- মাওলানা মামুনুল হক

ডেস্ক রিপোর্ট

‘বিএনপি চব্বিশের গণ‌অভ্যুত্থানের আয়নায় নিজেদের ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায় না’- মাওলানা মামুনুল হক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর উদ্যোগে “সংবিধান ও সংস্কার: নতুন বাংলাদেশ নাকি পুরোনো ফ্যাসিবাদ” শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) সকাল এগারোটায় ডাকসুতে ভিপি সাদেক কায়েম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক।

তিনি তার বক্তব্যে বলেন, বিএনপির বিচ্যুতিতে বিএনপি যতটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমরা তারচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। বিএনপির ভুল সিদ্ধান্তের সাফার বিএনপির চাইতে আমাদের বেশি করতে হয়। বিএনপি যখন ৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বুঝেনা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসমান থেকে পড়েছে এই জাতীয় কথাবার্তা বলত তখন আমরা দেখতেছিলাম বিএনপি পতনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। বিএনপিকে সে বিষয়টা তেমন কষ্ট দেয়নি আমাদেরকে যেমন দিয়েছে।

তিনি বলেন, ২০০৬ সালে বিএনপি যখন হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার করার জন্য সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন কার্যক্রম করতেছিল। নির্বাচন কমিশনে এম এ আজিজের বিরুদ্ধে আন্দোলন হয় তাকে বাদ দিয়ে মাহফুজুর রহমান না কাকে বসায় তাকে পরিবর্তন করে আরেকজনকে দেয়। আবার বিএনপির নেতৃবৃন্দ মিডিয়ায় এসে আন্দোলনকারীদের উপহাস করে। আর তাদের এই উপহাস গোটা দেশকে ক্ষিপ্ত করে তোলে। শেষ পর্যন্ত বিএনপি ২০০৬ সালে কেএম হাসান আর এম‌এ আজিজ মার্কা নির্বাচন করে যে খাদে পড়লো, বিএনপির বড় বড় নেতারা তলে তলে আঁতাত করে তো পরবর্তী বিশ বছর খুব খারাপ ছিলেন না। জেল খাটলাম আমরা আর বিএনপির তৃণমূলের কর্মীরা। এখন বাংলাদেশ চব্বিশ পরবর্তী এই সময় আমার বাংলাদেশ যা বলছে বিএনপি তুমি চোখ তুলে তাকিয়ে দেখো‌ কান খাড়া করে শুনে রাখো, আগামীর দিনে তোমাদের ভুলে আমরা আর সাফার করব না বিকল্প পথ খুঁজে নিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, বিএনপির বড় একটি শক্তির জায়গা ছিল সারা পৃথিবীর প্রবাসীরা। জুলাই বিপ্লবের অন্যতম অংশীজন প্রবাসীরা‌ এখন ৮০-৯০ পার্সেন্ট এখন বিএনপির প্রতি প্রচন্ডভাবে ক্ষুব্ধ। টোটাল জেনজি প্রজন্ম ৩৫ বছরের নিচে যাদের বয়স প্রায় সবাইই বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, গণভোটকে অসাংবিধানিক বলছেন এখন। জুলাই সনদ পাশ হ‌ওয়ার পরে ঐক্যমত্য কমিশনে জুলাই সনদকে আনচ্যালেঞ্জেবল একটা জায়গায় সংবিধানে স্থান দেওয়ার জন্য যখন আলোচনা চলছিল তখন তো সুস্পষ্টভাবেই সালাহউদ্দিন সাহেব গণভোটকে শুধু সমর্থন জানাননি বরং এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। সেই নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তখন তো মনে হয় নাই এটা আনকনস্ট্রিউশনাল! এখন এসে কেন মনে হলো?

তিনি আরো বলেন, বিএনপি চব্বিশের আয়নায় নিজেদের ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায় না। এদেশের মানুষ ফ্যাসিবাদের যাঁতাকলে পিষ্ট হতে হতে তারা বিপ্লবের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিল। বিএনপির দিকে তাকিয়ে ছিল যে বিএনপির নেতৃবৃন্দ এই বিপ্লবের জন্য জনগণকে নেতৃত্ব দিবে। কিন্তু বারবার এই নেতৃত্বের কাছ থেকে ভিরু কাপুরুষতাসূলভ আচরণ পেয়েছে। ঈদের পর আন্দোলন হবে‌। কিন্তু ঈদের চাঁদ‌ও ওঠে নাই ঈদের পরে আন্দোলন‌ও হয় নাই। তখন ছাত্র জনতা বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছে। তাদের নেতৃত্বে অভূতপূর্ব সেই জুলাই বিপ্লব হয়েছে, যে একটি মরলে একটাই যায় বাকিডি যায় না।

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে বলেন, ২৮ অক্টোবর নয়া পল্টনে বিএনপির সমাবেশের আগেরদিন আমরা কারাগারে রোজা রেখে দোয়া করেছি। আমরা ভেবেছিলাম, ২৮ অক্টোবর ভালো কিছু দেখবো। এরপর যখন মিডিয়ায় বিএনপির ভিরু কাপুরুষতার সর্বশেষ প্রদর্শনী দেখলাম তখন দুঃখে হৃদয় চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে গিয়েছিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ