September 20, 2026, 5:20 pm
শিরনাম :
চন্দ্রিমা থানায় কিশোর গ্যাং প্রতিরোধের দাবিতে এলাকাবাসীর স্মারকলিপি কাঁঠালিয়ায় মাদকসহ দুজন গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে মাদক সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনায় আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত কাঁঠালিয়ায় আদালতে মামলা চলার মধ্যেই সীমানা বেড়া ভাঙচুরের অভিযোগ অনিয়মের অভিযোগে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরে দুদকের অভিযান রাজশাহীর মোহনপুরে আনসার-ভিডিপির মাদকবিরোধী সচেতনতা সমাবেশ সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির সঙ্গে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ফেন্সিডিল ও মোটরসাইকেল জব্দ বাগেরহাটে অংশীজনদের সাথে গ্রাম আদালতের মতবিনিময় সভা

চন্দ্রিমা থানায় কিশোর গ্যাং প্রতিরোধের দাবিতে এলাকাবাসীর স্মারকলিপি

সিরাজুল ইসলাম রনি, রাজশাহী ব্যুরো প্রধান

রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানা এলাকায় মাদকের অবৈধ ক্রয়-বিক্রয়, সেবন এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক তৎপরতা বন্ধের দাবিতে চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছেন সর্বস্তরের এলাকাবাসী।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে এই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

স্মারকলিপিতে এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন যাবৎ চন্দ্রিমা থানা এলাকায় মাদকের প্রকাশ্য কেনাবেচা ও সেবন চলে আসছে। একই সাথে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণদের একটি অংশ সংঘবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে, যার ফলে পুরো এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এলাকাবাসীর পক্ষে আবেদনে জানানো হয়, কিশোররা রাতে বিভিন্ন স্থানে সংঘবদ্ধ হয়ে আড্ডা দেওয়া, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, মারামারি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে। এতে এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও জননিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্মারকলিপিতে ৭ দফা প্রস্তাব ও দাবি উত্থাপন করা হয়:
১. চন্দ্রিমা থানা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ, জনবহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশি টহল জোরদার করা, বিশেষ করে রাতের বেলায় টহল বৃদ্ধি করা।
২. রাতে অপ্রয়োজনে অলিগলিতে অবস্থানরত কিশোরদের ক্ষেত্রে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ ও অভিভাবকদের অবহিত করে কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা করা।
৩. মাদক স্পট ও ক্রয়-বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা এবং চিহ্নিত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া।
৪. কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ রোধে নজরদারি বাড়ানো এবং তাদের মাধ্যমে পরিচালিত অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ।
৫. মাদক ও কিশোর অপরাধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এলাকায় মাইকিং ও সামাজিক প্রচার-প্রচারণা চালানো।
৬. শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
৭. এলাকাবাসীর দেয়া তথ্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

স্মারকলিপিতে এলাকাবাসী সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, তারা কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি বা কিশোরকে হয়রানি করতে চান না। বরং প্রকৃত অপরাধী ও মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়ায় এনে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন চন্দ্রিমা থানা এলাকার বাসিন্দারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ