July 25, 2026, 9:09 pm
শিরনাম :
পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী মেদনী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মাঠে রফিকুল ইসলাম খান

৫১তম অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ মহোৎসব উদযাপন

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

উত্তরায়ণ সংক্রান্তি উপলক্ষে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা, ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিশ্বশান্তি গীতাযজ্ঞ, মহানামযজ্ঞ ও গ্রামীণ লোকজ মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চিকদাইর সার্বজনীন দুর্গাবাড়ি প্রাঙ্গণে গত ১২ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় ৫১তম উত্তরায়ণ সংক্রান্তি মহোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। ১৯৩০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রাচীন মন্দির প্রাঙ্গণে বিশ্বশান্তি কামনায় আয়োজিত চারদিনব্যাপী এ বর্ণাঢ্য ধর্মীয় উৎসবের সমাপ্তি ঘটে ১৫ জানুয়ারি।

১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ধর্মসভায় প্রধান আশীর্বাদক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সীতাকুণ্ড শংকর মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ স্বামী তপনানন্দ গিরি মহারাজ। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রফেসর ড. রণজিত কুমার চৌধুরী।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. রাহাতুল ইসলাম।

প্রধান বক্তা ছিলেন বিশিষ্ট ধর্মতত্ত্ববিদ স্বদেশ চক্রবর্তী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম।

১৩ জানুয়ারি সকালে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্বশান্তি গীতাযজ্ঞ এবং ১৪ জানুয়ারি ব্রাহ্মমুহূর্ত থেকে শুরু হয় অহোরাত্রব্যাপী শ্রীশ্রী তারকব্রহ্ম মহানামযজ্ঞ। এতে গোপালগঞ্জ, পটুয়াখালী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন প্রখ্যাত সম্প্রদায়ের নামসংকীর্তন দল অংশগ্রহণ করে নামসুধা পরিবেশন করেন।

মহোৎসব চলাকালীন প্রতিদিন দুপুর ও রাতে ভক্তদের মাঝে অন্নপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।

১৫ জানুয়ারি ঊষালগ্নে পূর্ণাহুতির মাধ্যমে চারদিনব্যাপী এ ধর্মীয় মিলনমেলার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে দূরদূরান্ত থেকে আগত অসংখ্য ভক্ত ও দর্শনার্থীর অংশগ্রহণে এই আধ্যাত্মিক উৎসব ও গ্রামীণ লোকজ মেলা এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে বিরাজ করে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, শান্তি ও সৌহার্দ্যের অনন্য পরিবেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ