September 15, 2026, 7:29 pm
শিরনাম :
বটিয়াঘাটায় জৈব পদ্ধতিতে সবজি চাষ ও পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুস্ঠিত। বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দাবিতে যুবদের সাইকেল র‍্যালি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে- আইনমন্ত্রী ফকিরহাটে অজ্ঞাত পরিবহণের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত ফকিরহাটে আমন ক্ষেতে পোকার আক্রমণ প্রতিরোধে মাঠে মাঠে আলোক ফাঁদ ভারত সেবা সংঘে গনেশ পূজোর শুভ সূচনা করলেন- মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বাকৃবি’র তৃতীয় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদ এর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত লামায় দোকানে গাঁজা বিক্রির অভিযোগে সুনীল কান্তি দে’র ৬ মাসের কারাদণ্ড মহানন্দা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে হারিয়ে গেল ‌দুই ছাত্র সমন্বিত উন্নয়নের মাধ্যমে বদলে যাবে কালীগঞ্জের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ ও কর্মসংস্থানের চিত্র-এমপি, ফজলূল হক মিলন

রাজাপুরে অর্থাভাবে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত কোমলমতি শিশু জুবায়ের চিকিৎসা বন্ধ; মানবিক সহায়তা প্রয়োজন

মো. আমিনুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি 

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পশ্চিম নৈকাঠি গ্রামের দরিদ্র অটোচালক জাহিদুল ইসলামের পাঁচ বছরের শিশু সন্তান জুবায়ের ইসলাম ভয়াবহ ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে তার কেমোথেরাপিসহ জরুরি চিকিৎসা। শরীরের অসহ্য যন্ত্রণায় দিন কাটছে কোমলমতি এই শিশুটির।

জুবায়েরের মা লিজা আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, বর্তমানে জুবায়েরের বয়স ৫ বছর ৩ মাস। মাত্র দুই বছর বয়সেই তার শরীরে ধরা পড়ে মরণব্যাধি ক্যান্সার। প্রথমদিকে হঠাৎ জ্বর ও শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে রাজাপুর, ঝালকাঠি ও বরিশালে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়।

ঢাকায় নেওয়ার পর শিশু হাসপাতালে পরীক্ষায় ধরা পড়ে জুবায়ের ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত।

এরপর মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল ও নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউটে তার চিকিৎসা চলতে থাকে। চিকিৎসাকালে একাধিকবার তার মুখ ও পায়ুপথ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। দীর্ঘদিন কেমোথেরাপি ও নানা পরীক্ষার কারণে শিশুটি এখন চরমভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে।

গত তিন বছর ধরে রাজাপুর, বরিশাল ও ঢাকায় চিকিৎসার জন্য দৌড়ঝাঁপ করতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে জাহিদুল ইসলামের পরিবার। অটোচালকের সামান্য আয়ে সংসার চালানোই যেখানে কষ্টকর, সেখানে লাখ লাখ টাকার চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বর্তমানে ঢাকায় নিয়ে কেমোথেরাপি দেওয়ার মতো আর্থিক সামর্থ্য না থাকায় চিকিৎসা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

জুবায়েরের বাবা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “আমি একজন অটোচালক। যতটুকু আয় ছিল, সবই ছেলের চিকিৎসায় শেষ হয়ে গেছে। এখন আর কোনো উপায় নেই। ছেলেটা যন্ত্রণায় কাঁদে, তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার থাকে না।”

এদিকে চিকিৎসা বন্ধ থাকায় দিন দিন জুবায়েরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। অসহ্য ব্যথায় কাতরাচ্ছে শিশুটি। তার চোখেমুখে ফুটে উঠছে বেঁচে থাকার আকুতি।

পরিবারের পক্ষ থেকে সমাজের বিত্তবান, দানশীল ও মানবিক মানুষের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে কেমোথেরাপি ও পরবর্তী চিকিৎসা চালিয়ে যেতে অর্থ সহায়তা প্রয়োজন।

সহযোগিতার ঠিকানা:
নগদ (পার্সোনাল): ০১৩২৯৩৩৭৯৫৩
বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৭৩৪৭০০৩৫৮


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ