September 18, 2026, 5:24 am
শিরনাম :
মনস্বিতা মহিলা ডিগ্রি কলেজে নজরুল বর্ষ উদযাপন কোটালীপাড়ার নাজিম এবার বিভাগীয় দাবা প্রতিযোগিতায় তালায় নেক্সাস প্রোগ্রামিংয়ের যুব অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা নয়, আচরণগত পরিবর্তন ও মূল্যবোধের বিকাশ ঘটাতে হবে- জেলা প্রশাসক শহীদ সাইফুদ্দিনের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শরণখোলায় ছাত্রশিবিরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন কোটালীপাড়ায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ফলের গাছ কাটার অভিযোগ কোটালীপাড়ায় তিন ফার্মেসিকে ১১ হাজার টাকা জরিমানা দর্শনা চেকপোস্টে মেহেরপুর আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার রাজারহাটের নাজিমখানে ব্রিজের উচ্চতায় বিপজ্জনক সড়ক

৮ ডিসেম্বর ঝালকাঠি হানাদার মুক্ত দিবস

মো. আমিনুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি 

৮ ডিসেম্বর ঝালকাঠি হানাদার মুক্ত দিবস, ​মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধে ৭ ডিসেম্বর রাতেই পালিয়েছিল পাকবাহিনী

৮ ডিসেম্বর, ঝালকাঠি মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি উপজেলা পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়েছিল। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের দুর্ধর্ষ প্রতিরোধের মুখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা টিকতে না পেরে রাতের আঁধারে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এরপর বিজয়ের বেশে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে প্রবেশ করলে স্বাধীনতাকামী জনতা আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠে।

​হানাদার বাহিনীর দখল ও নারকীয় নির্যাতন:
​১৯৭১ সালের ২৭ এপ্রিল ভারী কামান আর মর্টার শেলের গোলা নিক্ষেপ করতে করতে পাক হানাদার বাহিনী ঝালকাঠি শহর দখলে নেয়। এরপর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত জেলা জুড়ে তারা হত্যা, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও লুটপাটসহ নারকীয় নির্যাতন চালায়। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন নিরীহ বাঙালিদের ধরে নিয়ে নির্মম নির্যাতন শেষে পৌরসভা খেয়াঘাট এলাকায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করা হতো। এছাড়া জেলার অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে হত্যা করে মাটি চাপা দেওয়া হয়।

                                                                                                                                                                    বিজ্ঞাপন

নলছিটির মর্মান্তিক ঘটনা:
​জেলার নলছিটি উপজেলাতেও নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চলে। ১৯৭১ সালের ১৩ মে শহরের ১৪ জন ব্যবসায়ীকে ডেকে নিয়ে সুগন্ধা নদীর পাড়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এতে ১১ জন ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং বাকি ৩ জন ভাগ্যক্রমে আহত হয়ে বেঁচে যান।

মুক্তি ও বিজয়:
​মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল প্রতিরোধ ও কয়েকটি সম্মুখ যুদ্ধে বিপর্যস্ত পাক হানাদার বাহিনী ৭ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় শহরে কারফিউ জারি করে রাতের আঁধারে ঝালকাঠি ছেড়ে পালিয়ে যায়। হানাদাররা চলে গেলে মুক্তিযোদ্ধারা থানা ঘেরাও করে এবং সন্ধ্যায় ঝালকাঠি থানার পুলিশকে নিরস্ত্র করে। ওসিসহ সকল পুলিশ সদস্য এ সময় আত্মসমর্পণ করেন।

৮ ডিসেম্বর ভোরে পুরো ঝালকাঠি শহরে ওড়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ