বালিয়াডাঙ্গীতে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরাতে কোচিং সেন্টারে গিয়ে ক্লাস আওয়ারে কোনো কোচিং সেন্টার বা প্রাইভেট সেন্টার পড়াতে পারবেনা সেটি কোচিং সেন্টারের পরিচালকদের বলে শিক্ষার্থীদের সেখান থেকে বের করে নিয়ে স্কুল/কলেজে ক্লাস করার জন্য পাঠিয়ে দেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইলিয়াস আলী হৃদয়।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কয়েকটি কোচিং সেন্টারে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বের করে কলেজে ক্লাসে পাঠিয়ে দেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইলিয়াস আলী হৃদয়।

তিনি বলেন, ক্লাস চলাকালীন সময়ে কোনো কোচিং সেন্টার পড়াতে পারবেনা। যদি কোচিং সেন্টার সে সময় পড়ায় তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা উপজেলা ভূমি কর্মকর্তাকে খবর দিয়ে ডেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে শাস্তি দেওয়ার অনুরোধ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আমরা বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ছাত্রদল সকল শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাই। যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ক্লাস ফাঁকি দেয় তবে সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে বলে সেটি সমাধান করবো। যদি সমাধান না হয় তবে শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে ঐ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বালিয়াডাঙ্গী শিক্ষা কার্যালয় ঘেরাও করবো। আমরা বালিয়াডাঙ্গীকে শিক্ষা বান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

অভিভাবক নজরুল ইসলাম বলেন, আমি শুনলাম বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইলিয়াস আলী হৃদয় আজকে কোচিং সেন্টারগুলোতে ঢুকে স্কুল/কলেজ চলাকালীন সময়েও কোচিং সেন্টারগুলো শিক্ষার্থীদেরকে পড়ানো বন্ধ করতে বলেন এবং শিক্ষার্থীদের বের করে স্কুল/কলেজে পাঠান। তাঁর এমন উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানায়।যদি এমনটি হয় তবে আমাদের কোচিংয়ের যে বাড়তি খরচ হয় সেটি বেঁচে যাবে এবং আমাদের সন্তানেরা সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হবে।
সমির উদ্দীন স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ প্রমথ কুমার রায় বলেন, ক্লাস চলাকালীন সময়ে কোচিং সেন্টার পড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ইলিয়াস আলী হৃদয় এর এমন উদ্যোগকে আমরা সাধুবাদ জানাই। যদি তাঁরা আমাদের এভাবে সহযোগিতা করে তবে আমরা শিক্ষার ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে যেতে পারবো।