পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে ‘বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ’ পালন শুরু হয়েছে।
শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষা, মায়ের দুধের উপকারিতা তুলে ধরা এবং স্তন্যদান বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে এ উপলক্ষ্যে রোববার (০২ আগষ্ট) সকালে জনস্বাস্থ্য পুষ্ঠি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. উইলিয়াম মেমোরিয়াল হলে স্বাস্থ্য পরিদর্শক সমীরণ বড়ুয়ার সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান’-এ শ্লোগানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মোহাম্মদ সোলায়মান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার মো. ফরহাদ উদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, সাকিব হোসেন ও দিপ্তী ত্রিপুরা, স্যানেটারি ইন্সপেক্টর খুকুমনি বড়ুয়া, নার্সিং ইনচার্জ নীলিমা রানী দে’সহ প্রমুখ।

আলোচনায় স্বাস্থ্য কর্মী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকরা অংশ গ্রহণ করেন। আলোচনায় অতিথিরা বক্তারা বলেন, মায়ের দুধ নবজাতকের জন্য আদর্শ পুষ্টিকর খাবার। এতে সংক্রামক ব্যাধির আক্রমণ অনেক কমে যায়।
মাতৃদুগ্ধ পানকারী শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশ ঘটে পরিপূর্ণভাবে। এতে মায়েদের স্তন ও ডিম্বাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকিও কমে। জন্মের পর থেকে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধই শিশুর একমাত্র পূর্ণাঙ্গ খাবার হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ পালিত হয়ে আসছে বলে জানান তিনি।