July 26, 2026, 12:53 pm
শিরনাম :
এহসান মোর্শেদ পিয়াল কে আহবায়ক করে মূলঘর ইউনিয়ন “মুক্তিযোদ্ধো প্রজন্ম সংসদ” এর আহবায়ক কমিটি গঠিত। পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

রাজশাহী-৪ আসনে জমে উঠেছে ভোটের লড়াই, মুখোমুখি বিএনপি ও জামায়াত

বাগমারা প্রতিনিধি

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়ছে উত্তাপ। ভোটের মাঠে দিন দিন স্পষ্ট হয়ে উঠছে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই আসনের মোট আয়তন ৩৬৬ বর্গ কিলোমিটার। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ১৬টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌরসভা। মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬০ হাজার ৭২০ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৮৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪ জন। বিশাল ভোটার সংখ্যা ও বিস্তৃত ভৌগোলিক পরিসরের কারণে এই আসনকে রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া। তিনি বাগমারা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং আউচপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিতিকে পুঁজি করে তিনি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করছেন।

অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন ডা. আব্দুল বারী। একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে তার পেশাগত গ্রহণযোগ্যতা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং নৈতিক ভাবমূর্তি ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। শান্ত, সংযত ও সরাসরি মানুষের সঙ্গে যোগাযোগভিত্তিক প্রচারণার কারণে তিনি আলোচনায় উঠে এসেছেন।

অতীতে এই আসনে জাতীয় পার্টি, বিএনপি এবং আওয়ামী লীগ বিভিন্ন সময় সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব করেছে। তবে বর্তমান নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ থাকায় দলটি প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরে রয়েছে। ফলে এবারের ভোটে মূল প্রতিযোগিতা সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিএনপির অভ্যন্তরীণ মনোনয়নকেন্দ্রিক বিভাজন নির্বাচনী সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে একক ও নির্ধারিত প্রার্থী ঘোষণা করায় দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ঐক্য ও সাংগঠনিক দৃঢ়তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ