September 22, 2026, 3:50 pm
শিরনাম :
অস্বচ্ছলতার সংসার থেকে পাঠশালা, ৩৭ বছর ধরে শিশুদের পড়াচ্ছেন নমিতা বাগেরহাটে তরুণীকে গালিগালাজ ও হুমকির অভিযোগ, টিপু-চানের বিরুদ্ধে জিডি পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বাগেরহাটে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজে তারুণ্যের মেলা নওহাটা পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতার গণসংযোগ কলকাতার বাজে প্রতাপ ঘাট সহ অন্যান্য ঘাটেও চলছে বিশ্বকর্মা বিসর্জন ফরিদপুরে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন চন্দ্রিমা থানায় কিশোর গ্যাং প্রতিরোধের দাবিতে এলাকাবাসীর স্মারকলিপি কাঁঠালিয়ায় মাদকসহ দুজন গ্রেপ্তার ময়মনসিংহে মাদক সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতনায় আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত

এ কে খন্দকারের জানাজা রোববার; উপস্থিত থাকবেন প্রধান উপদেষ্টা

সৈয়দ জালিস মাহমুদ
সংগৃহীত ছবি

মহান মুক্তিযুদ্ধের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও সাবেক বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকারের জানাজা রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত থাকবেন।

এদিন দুপুরে বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশারে (ন্যাশনাল প্যারেড গ্রাউন্ড) এ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) রাতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে শনিবার সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ কে খন্দকার ১৯৫২ সালের সেপ্টেম্বরে পিএএফ (পাকিস্তান বিমানবাহিনী) থেকে কমিশন (পাইলট অফিসার পদ) লাভ করেন। তিনি ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত ফাইটার পাইলট হিসেবে কাজ করেন ও পরে ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর হয়ে ওঠেন। তিনি পাকিস্তান এয়ার ফোর্স একাডেমিতে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর স্কুলে তিনি ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত ফ্লাইট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে জেট ফাইটার কনভারশন স্কোয়াড্রনে তিনি ফ্লাইট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৬০ সাল পর্যন্ত।

এ কে খন্দকার ১৯৬১ সাল পর্যন্ত স্কোয়াড্রন কমান্ডার হিসেবে কাজ করেন পিএএফ একাডেমিতে। পরে জেট ফাইটার কনভারশন স্কোয়াড্রনে তিনি স্কোয়াড্রন কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত। ট্রেনিং উইংয়ের অফিসার কমান্ডিং হিসেবে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি পিএএফ একাডেমিতে দায়িত্ব পালন করেন। পিএএফ প্ল্যানিং বোর্ডের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি ১৯৬৯ সালের আগ পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন। পরে তিনি সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে পিএএফ বেইসের দায়িত্ব পান ঢাকায় ১৯৬৯ সালে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ