April 16, 2026, 7:21 am
শিরনাম :
রাসিক প্রশাসকের সঙ্গে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের প্রতিনিধিদের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইরান যুদ্ধে যোগদানের চাপের কাছে যুক্তরাজ্য নতি স্বীকার করবে না ছাত্রশিবির ত্রর “সাথী শিক্ষাশিবির—২০২৬” অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা নিয়ে ইরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান শেরপুর সদর উপজেলার হাজী পাম্পে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা বর্নিল সাজ,গন্ধ ও গীতিতে নতুন বাংলা সনকে বরণ করে নিলো প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি বৃত্তি পরীক্ষা চালু হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অত্যন্ত আনন্দিত: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সরকারের ভাবমূর্তি যেন ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবেন – হজ টিমের সদস্যদের প্রতি ধর্মমন্ত্রী বাঘাইছড়িতে ‘রিপোর্টার্স ইউনিটি’র আত্মপ্রকাশ: সভাপতি মোঃ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন সোমবাজার ঈদগা মাঠে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে ৫ দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা উদ্বোধন

ঘাটাইলে বংশাই নদীতে বাঁধে মৃত আবর্জনা জমে দুর্গন্ধ, লিখিত অভিযোগেও কাজ করেনি প্রশাসন

মোহাম্মদ নাজিবুল বাশার, মধুপুুর টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ও সংগ্রামপুর ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত ঐতিহ্যবাহী বংশাই নদী। এর রয়েছে অতীত ইতিহাস ঐতিহ্য। এক সময় ছিল খরস্রোতা। বর্তমানে এ নদীটি প্রায় মৃত অবস্থায় থাকার কারণে এক শ্রেণির অসাধু সিজনাল মাছ ব্যবসায়িরা নদীর এপার ওপারে আরাআড়ি বাঁধ নির্মাণ করে মাছ আহরণ করে রাতের আঁধারে বিক্রি করছে টাঙ্গাইল শহরের আরৎ গুলোতে।

এলাকার লোকজন ওই বাঁধের আশে পাশে যে কোন ধরণের জাল পেতে মাছ ধরতে গেলে তাদের উপর তেরে আসে বাঁধ নির্মাণকারী উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের চাপড়ী গ্রামের সাবেক উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম মিয়ার প্রতিবেশী ও আত্মীয় আব্দুল জলিল ফকির তার ছেলে দুলাল ফকির, বেলাল ফকির ও তার নাতি খোরশেদ আলীর ছেলে হাসান আলী।

তাদের অত্যাচারের কারণে এলাকার লোকজনের এখন নদীতে মাছ ধরা আতঙ্কের হয়ে দাড়িয়েছে। তার উপর আবার নতুন উপদ্রব হয়ে দাড়িয়েছে বাঁধে নানা রকম ময়লা আবর্জনা ও মৃত কুকুর, বিড়াল,গরু ছাগলের লশা। এ সকল পঁচা আবর্জনার দুরগন্ধে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। দুরগন্ধের কারনে এলাকায় ছড়াচ্ছে নানা রোগ বালাই।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখত অভিযোগ দেয়ার পরও কোন কাজ করেনি প্রশাসন। কেন নির্বিকার এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনগণের মনে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু সাইদের সাথে কথা বললে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আমরা এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে একবার বাঁধ ভেঙে দিয়েছি। এ প্রতিবেদক তার পরিচয় দিয়ে তাঁকে আবার নতুন করে বাঁধের খবর জানালে তিনি জানান, আপনি এই বিষয়টিকে স্থানীয় রাজনীতিতে কেন টেনে আনছেন এবং আপনি হয়তো কোন পক্ষের হয়ে কাজ করছেন। একজন সংবাদদাতাকে প্রশাসনের এই ব্যক্তি কোন পক্ষের করে দিয়ে কি বুঝাতে চায় এটাই এখন ভাবার বিষয়।

তাই এ বিষয়টি প্রশাসনের উচ্চ মহলের দৃষ্টি কামনা করছে এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ