July 26, 2026, 9:14 am
শিরনাম :
এহসান মোর্শেদ পিয়াল কে আহবায়ক করে মূলঘর ইউনিয়ন “মুক্তিযোদ্ধো প্রজন্ম সংসদ” এর আহবায়ক কমিটি গঠিত। পবিপ্রবিতে উদয় ভবনের নিলাম অনুষ্ঠিত আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু যশোরের বাঘারপাড়ায় এনসিপির পথসভায় হাসনাত আব্দুল্লাহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় এস্কাফ সিরাপ জব্দ তালায় টিআরএম বিলের বকেয়া আদায় ও জলাবদ্ধতা নিরসনের দাবিতে মানববন্ধন প্রান্তিক ভূমিহীন ও মৎস্যজীবীদের কেন্দ্রীয় ভূমি কমিটির সভা অনুষ্ঠিত পবিপ্রবিতে চাকসু প্রতিনিধিদের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় জুলাই অভূত্থান স্মরণে ছাত্রশিবিরের আয়োজনে স্বর্ণপদক প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী ইনডোর স্টেডিয়াম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ভূমিমন্ত্রী

জাবি ছাত্রীকে বাসায় আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন: সাবেক শিক্ষার্থী অভিযুক্ত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে বাসায় আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির (আইআইটি) বিভাগের এক সাবেক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী ইসলামনগর এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে।

অভিযুক্ত তারিকুল ইসলাম (৩২) আইআইটি বিভাগের ৪৪তম ব্যাচের (২০১৪-১৫) শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ৫৩ ব্যাচের। ঘটনার পর তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হলে তিনি তার বিভাগের এক নারী শিক্ষকের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে ওই শিক্ষক জানান, “অভিযুক্তের সঙ্গে ছাত্রীর পূর্বে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল, যা পরবর্তীতে ভেঙে যায়। মঙ্গলবার অভিযুক্ত তারিকুল ইসলাম হলের সামনে এসে ‘শেষবারের মতো কথা বলার’ কথা বলে তাকে বাসায় যাওয়ার জন্য চাপ দেন। ছাত্রী রাজি না হলে তাকে বিভিন্নভাবে ব্ল্যাকমেইল করা হয়।”

শিক্ষক আরও বলেন, “একপর্যায়ে ইফতার সামগ্রী কেনার কথা বলে ভুক্তভোগী তার বাসায় যান। সেখানে পৌঁছানোর পর অভিযুক্ত তার মুখে টেপ লাগিয়ে বেঁধে ফেলে মারধর করেন এবং হাতের ওপর গরম পানি ঢেলে দেন।”

নির্যাতনের এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী পুড়ে যাওয়ার ক্ষতের ওষুধ কিনতে বাইরে যেতে চাইলে অভিযুক্ত কক্ষের দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দেন। ভুক্তভোগী তখন জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

পুলিশ প্রথমে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক ডা. তানভীর হোসেন জানান, “ভুক্তভোগী ছাত্রীর হাতে প্রায় ৩ থেকে ৪ সেন্টিমিটার জায়গা পুড়ে গেছে। আমাদের কেন্দ্রে এ ধরনের বার্ন ইনজুরির পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ব্যবস্থা না থাকায় তাকে সাভারে রেফার করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, “ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ হিসেবে জেনেছি। তবে এ বিষয়ে এখনো আমার কাছে কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। বিষয়টি ব্যক্তিগত বলে সংশ্লিষ্টরা প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন। আমি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না।”

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবেল হাওলাদার জানান, ঘটনার বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে এবং এটি তদন্তাধীন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ