September 23, 2026, 2:37 am
শিরনাম :
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান বুলবুলি খাতুনের পাশে দাঁড়ালেন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা প্রশাসন অগ্নিকাণ্ডে নিঃস্ব বিধবা পেয়ারা বেগমের পাশে জামায়াত শিবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে ইয়াবাসহ ১ আটক রাজশাহীতে সার সংকট ঠেকাতে ‘পবা সার ডটকম’ সেবা চালু সাহেববাজার স্বর্ণপট্টির কারূশ্রী জুয়েলার্স চুরির স্বর্ণ উদ্ধার তালায় সিএসও কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত তালায় প্রাণীসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়ি ১১ বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ যুবক আটক বাকৃবিতে ‘ফুড সেফটি ম্যানেজমেন্ট’ ইন্টার্নশিপের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত

আওয়ামীলীগ নেতা ও শাহী জর্দার মনু মিয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

মো. আমিনুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রতিনিধি 

‎ঝালকাঠিতে পৌর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও আদি সাবিহা কেমিক্যাল ওয়ার্কস শাহী ৯৯ জর্দা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাসসুল হক মনু মিয়াসহ দুইজনের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণ ও গর্ভবতী করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঝালকাঠি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে শাহী কোম্পানির শ্রমিক রুবিনা বেগম বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। ট্রাইবুনালের বিচারক শরীফ মোহাম্মদ সানাউল হক অভিযোগটি আমলে নিয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এফআইআর হিসেবে গ্রহন করার নির্দেশ দেন।

‎বাদি পক্ষের আইনজীবী পার্থ সারথী রায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

‎মামলার নালিশিতে বাদী রুবিনা উল্লেখ করেন যে, আসামি মনু মিয়ার তার জর্দা কারখানায় অপর আসামি ফরিদ হোসেন একজন বিশ্বস্ত শ্রমিক।

‎ফরিদ হোসেন বাদি রুবিনাকে ফুসলিয়ে চাকুরির প্রলোভনে দিয়ে কোম্পানির মালিক মনু মিয়ার কাছে নিয়ে যায়। এরপর মনু মিয়া তাকে শারিরীক মেলামেশার প্রস্তাব দেয়। আমি তাকে এড়িয়ে থাকি, ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর আমাকে তারা কারখানায় আসতে বলে। সেখানে এলে মনু মিয়ার রুম পরিস্কার করতে বলে চলে যায় ফরিদ। রুমে প্রবেশের পর আসামি মনু মিয়া জোরপূর্বক আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। সেই থেকে আমি সেখানে চাকুরি করার সুবাধে একাধিকবার আমাকে ধর্ষণ করায় অমি গর্ভবতী হয়ে পড়ি। এ ঘটনায়, আসামি গর্ভের সন্তানকে বৈধতা দিতে আসামি মনু মিয়ার পরামর্শে ২নং আসামি ফরিদ হোসেন ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি কাবিন রেজিস্ট্রির মাধ্যমে আমাকে বিবাহ করে। এরপর একই বছরের ১৫ জুলাই আমার একটি কন্যা সন্তান ভুমিষ্ঠ হয়। একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর ফরিদ হোসেন আমাকে তালাক দেয়। এতে আমি অসুস্থ হলে সাক্ষীদের সাথে আলাপ আলোচনা করে ২ ডিসেম্বর মামলা করতে থানায় যাই। থানা কতৃপক্ষ আমাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেন।

‎এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, এখন পর্যন্ত আদালতের নির্দেশ হাতে পাইনি। পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


আমাদের ফেসবুক পেজ