স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, আগামী বছর থেকে সরকারি হাসপাতাল গুলিতে পুজোর দীর্ঘ ছুটি বন্ধ।
সোমবার, ২৬ শে অক্টোবর স্বাস্থ্য মন্ত্রীর ঘোষণা, আগামী বছর থেকে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি হাসপাতাল গুলিতে দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী থেকে কজাগরী লক্ষ্মী পূজা পর্যন্ত টানা ছুটির প্রচলিত রীতি বন্ধ হতে চলেছে। ১৯৪৭ সাল থেকে এই প্রথা চলে আসছে।
রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শরদ্বত মুখোপাধ্যায় বলেন, সমস্ত কর্মীরা জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত, তাই অন্যান্য সরকারি দপ্তরের মতো দীর্ঘ ছুটি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না।।
মন্ত্রী আরো জানান, সপ্তমী অষ্টমী নমনী ও দশমী এই চারদিন বিশেষ ডিউটি রোস্টার চালু থাকবে,, চলতি বছরও যেসব কর্মী ছুটিতে রয়েছেন, তাদেরও কাজে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি,
[video width="832" height="464" mp4="https://khulnatimes24.com/wp-content/uploads/2026/10/WhatsApp-Video-2026-10-27-at-12.23.56-AM.mp4"][/video]
অষ্টমী নমনীয় দশমী তে নন মেডিকেল কর্মীদের প্রায় ৫০ শতাংশকে কাজে রাখা হবে, তবে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য নির্দিষ্ট কোন উৎসব কালীন রোস্টার থাকবে না, হাসপাতালে প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের ডিউটি করতে হবে।
স্বাস্থ্য ভবনে মেডিকেল কলেজগুলির অধ্যক্ষ ও উপাধক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সেখানে নিজের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক কর্তাদের দৃঢ় থাকার বার্তাও দেন। তিনি আরো বলেন, যারা মেরুদন্ড সোজা রেখে কাজ করতে পারবেন না, তাদের পদে থাকার প্রয়োজন নাই।
স্বাস্থ্য মন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে চিকিৎসক মহলের একাংশে সমালোচনা শুরু হয়েছে, মেরুদন্ড সোজা রেখে কাজ করার অর্থ কি? সরকারের নির্দেশ মেনে চলা, নাকি প্রশাসনিক ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া ,তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।
পাশাপাশি সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজগুলিতে কথিত ভয় দেখানোর সংস্কৃতি এখনো রয়েছে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকদের একাংশ। ফলে পুজোর ছুটি নিয়ে স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন সিদ্ধান্তের পাশাপাশি। প্রশাসনিক স্বাধীনতা ও হাসপাতালের কর্মপরিবেশের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে এসেছে।