খুলনায় বাদাবন সংঘের উদ্যোগে ‘স্বাধীনতা: ডিজিটাল গণতন্ত্রের জন্য মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ (Swadhinata: Freedom of Expression for Digital Democracy—FREEDOM) শীর্ষক বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের সঙ্গে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তথ্য যাচাই, নারী অধিকার, নেতৃত্ব বিকাশ এবং সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় খুলনার বয়রায় বিভাগীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাদাবন সংঘের চেয়ারম্যান মিসেস গুলশানারা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার সহকারী তথ্য কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান।
বাদাবন সংঘের প্রোগ্রাম অর্গানাইজার রেশমা বেগম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী পরিচালক লিপি বিশ্বাস, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর খুলনার ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর এইচ এম নুরুজ্জামান এবং খুলনার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম সিদ্দিকী।
বাদাবন সংঘের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির প্রোগ্রাম অ্যাসোসিয়েট (গার্লস অ্যান্ড ইয়ুথ) বুশরা আফরোজা, লিয়াজোঁ অফিসার এহসান মোরশেদ পিয়াল, ভলেন্টিয়ার ফারুক খানসহ বিভিন্ন প্রকল্পে কর্মরত কর্মকর্তারা।
সমাবেশে মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নারীর দক্ষতা উন্নয়নে বাদাবন সংঘের চলমান কার্যক্রম এবং তরুণদের জন্য স্বাধীনতা প্রকল্পের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এর পাশাপাশি হরিজন সম্প্রদায়ের উন্নয়নে সংস্থাটির কার্যক্রম ও দৃষ্টিভঙ্গি, নারী কৃষক এবং নারী মৎস্যজীবীদের উন্নয়নে করণীয় বিষয়েও আলোচনা হয়।
বক্তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ও অপতথ্য ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে সতর্ক থাকার এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোনো তথ্য প্রচার বা শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁরা সামাজিক বিভিন্ন কার্যক্রমে মানুষের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, নেতৃত্বের বিকাশ, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা, জেন্ডার সমতা নিশ্চিত করা এবং সমাজে পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের প্রতিবন্ধকতা দূর করার বিষয়েও আলোচনা করেন।
সমাবেশে আরও গুরুত্ব পায় সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং নারী ও তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ সম্প্রসারণের বিষয়টি।
অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগের আট জেলার বাদাবন সংঘের সুবিধা ভোগী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।