কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় লাইসেন্সবিহীন ছয়টি করাতকলে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ। এ সময় করাতকলগুলোর ছয়টি মেশিন, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও বেশ কিছু গাছ জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের চড়াপাড়া বাজারে অভিযান চালানো হয়। সেখানে নুরুল আলমের মালিকানাধীন দুটি এবং আকতার আহমদের মালিকানাধীন একটি করাতকলে অভিযান চালিয়ে তিনটি মেশিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়। পরে জব্দ করা মালামাল একটি ডাম্পার গাড়িতে করে বারবাকিয়া রেঞ্জ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
অন্যদিকে, দুপুর দেড়টার দিকে টইটং ইউনিয়নের জালিয়ার চাং ইউনিয়ন পরিষদসংলগ্ন এলাকায় মোহাম্মদ করিম মালিকানাধীন একটি বেলাল উদ্দিন মালিকানাধীন একটি ও টইটং বাজারে পাশে মোঃ মোহাম্মদ আলম (প্রকাশ মাহম্মদ মাঝি) মালিকানাধীন একটি মোট তিনটি করাতকলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় করাতকলগুলো থেকে মেশিন, যন্ত্রাংশ ও কিছু গাছ জব্দ করা হয়।
অভিযান চলাকালে বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা খালেকুজ্জামান, টইটং বনবিট কর্মকর্তা আবদুল মোতালিব মোমিনসহ বন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া পেকুয়া থানা পুলিশের একটি দল অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি), বন বিভাগের কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা করাতকলগুলোতে অভিযান চালান।
তাঁদের দাবি, এসব করাতকলের বৈধ কাগজপত্র ছিল না। অভিযানের সময় ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিক ও একটি ডাম্পার গাড়ি নিয়ে জব্দ করা মালামাল সরিয়ে নেওয়া হয়।
অভিযানের বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আনিসুল ইসলাম বলেন, অভিযান চালিয়ে ছয়টি করাতকলের মেশিন ও কিছু গাছ জব্দ করা হয়েছে। এসব করাতকলের বৈধ কাগজপত্র নেই।
জব্দ করা মালামাল রেঞ্জ কর্মকর্তার হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।