১৬ই সেপ্টেম্বর বুধবার, নামখানা ব্লকের বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিবেকানন্দ সেতুটি, টানা বৃষ্টির ফলে, নিচের মাটি ধসে পড়ায় সেতুটি ভেঙে পড়ে। গ্রামবাসীদের চলার পথ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
বর্তমানে গ্রামবাসীরা সেতুর অবশিষ্ট অংশের উপরে কয়েকটি বাঁশ বসিয়ে নিজেদের জীবন বাজি রেখে পারাপার হচ্ছেন, সেতুটির ধসের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন নারী ও স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা।
[video width="848" height="478" mp4="https://khulnatimes24.com/wp-content/uploads/2026/09/WhatsApp-Video-2026-09-16-at-10.13.17-PM.mp4"][/video]
[video width="848" height="478" mp4="https://khulnatimes24.com/wp-content/uploads/2026/09/WhatsApp-Video-2026-09-16-at-10.13.18-PM-2.mp4"][/video]
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনগর ও ফটিকপুর গ্রামের মাঝখান দিয়ে চঙ্কুড়ি নদী বয়ে গেছে, প্রায় ৩০ বছর আগে গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে নদীটির উপর কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়।, মাঝে মাঝে মেরামত করা হলেও , গ্রামবাসীদের অভিযোগ ,প্রতিটি নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক নেতারা কাঠের কাঠামোটি সরিয়ে কংক্রিটের সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন। কিন্তু ভোট চলে যাওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতি অধরায় থেকে যায়। কোন রকম স্থায়ী সমাধান হয় না,
[video width="848" height="478" mp4="https://khulnatimes24.com/wp-content/uploads/2026/09/WhatsApp-Video-2026-09-16-at-10.13.18-PM-1.mp4"][/video]
ফটিকপুর গ্রামের প্রায় চার হাজার মানুষ তাদের দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য এই সেতুটির উপর নির্ভরশীল, গ্রাম পঞ্চায়েতে যাতায়াত, হসপিটাল, উচ্চ বিদ্যালয়, বাজার প্রভৃতি স্থানে যেতে গেলে এই সেতুর উপর দিয়ে যেতে হয়। প্রতিদিন প্রায় দু হাজার মানুষ সেতুরির উপর দিয়ে যাতায়াত করেন।

ধসে পড়ার পর কিছু গ্রামবাসী এখনো যথেষ্ট ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন, অন্যদিকে বেশিরভাগ বাসিন্দা এবং ছাত্র-ছাত্রীরা বাজার, স্কুল যাওয়ার জন্য, প্রায় তিন কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধ্য হন। অন্ধকার নামার পর পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে ওঠে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অবিলম্বে সেতুটি মেরামতের ব্যবস্থা করা হোক এবং একটি স্থায়ী কংক্রিটের সেতু নির্মাণ করা হোক দাবি জানিয়েছেন, নচে ৎ যেকোনো মুহূর্তে আরো বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।