নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে দুটি আন্তঃনগর ও একটি কমিউটার ট্রেন ঢাকায় চলে, এর মধ্যে হাওর এক্সপ্রেস ও মোহনগঞ্জ এক্ষেপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেন মোহনগঞ্জ স্টেশন থেকে সকাল ৮ টা ও রাত ১১ টায় ছেড়ে যায়। কমিউটার ট্রেন টি মোহনগঞ্জ থেকে বেলা সাড়ে তিন টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। শত পার্সেন্ট টিকিট করে যাত্রীরা টেনে চড়লেও ট্রেনের ভেতরে অতিরিক্ত হকারদের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন।।
বাদাম,বুট,চানাচুর, আমরা,বড়ই,পপকর্ণ,চকলেট, পানি,কোমল পানীয়,হরেক রকম দাতের মাজন,সিঙ্গারা,নারকেল সন্দেশ,আইসক্রিম, কৃমি নাশক দাউদ,মাথা ব্যথা,সর্দির ঔষধ সহ বিভিন্ন ধরনের পন্য বিক্রি করতে ভীড় করে ট্রেনের ভিতর। এসব হকারের চেচামেচিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে যাত্রীরা। সব চেয়ে কষ্টে পড়ে শিশু ও অসুস্থরা। এতো চেচামেচি ও ধাক্কা ধাক্কীতে নারী যাত্রী রা পরে বিপাকে।
এরই মধ্যে আবার আসে হিজড়া তাদের নগদ টাকা চাঁদা না দিলে ট্রেনের ভিতর করে বিশৃঙ্খলা। আসেক অসহায় মানুষ ভিক্ষা চাইতে। এসবের ভেতর একজন যাত্রীর দীর্ঘ সময় শুনতে ও সয্য করতে গিয়ে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তবে এ ব্যপারে রেলের কোনও বিধি নিষেধ নেই। যে যার মত ট্রেনে উঠে যা খুশি করলেও ট্রেন কতৃপক্ষের কোন দেখবাল নেই।
লিটন নামে এক যাত্রী মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকায় যাবেন, তিনি বলেন, রেলওয়ে কে আরো শৃঙ্খল করতে হবে। যাত্রী হয়রানি বন্ধ করতে হবে।ট্রেনের ভেতর অতিরিক্ত হকার বন্ধ করতে হবে। রেলওয়ে পুলিশ কে আরো সক্রিয় ভুমিকা পালন করতে হবে। তবেই মোহনগঞ্জ হতে ঢাকা রোডে দুটি আন্তঃনগর ও একটি কমিটার ট্রেন সুন্দর ভাবে চলে সরকরকে আরো বেশি আয় দিতে পারবে। এমন হলে যাত্রীরা শান্তিতে যাতাঅত করতে পারবে এটাই যাত্রীদের দাবী।