ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তুরিন আলমের নগদ অ্যাকাউন্টে সেমিস্টার ফি-এর ৩০,৪০০ টাকা জমা রাখা ছিল। গত ২৮ জুলাই বিকাল ৫:১১ মিনিটে ০১৩৩০৬৫৯৫৯৪ নম্বর থেকে নিজেকে নগদ এজেন্ট পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তি তাকে ফোন দেন। পূর্বের এক ক্যাশ-আউটের সূত্র ধরে ভুলবশত অ্যাকাউন্টে মামলা হওয়া এবং তা বন্ধ করার ভয় দেখানো হয়। পরবর্তীতে ০১৭৯৪৬৪৫৯৫০ নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে পুলিশের ভুয়া কর্মকর্তা সেজে কল করে একটি নম্বরে ডায়াল করতে বলা হয়। প্রতারকদের কথামতো পদক্ষেপ নেওয়ার পরপরই তুরিনের অ্যাকাউন্ট থেকে ০১৭২৮৭৩৩৮৪৯ নম্বরে সেন্ড মানির মাধ্যমে ৩০,৪০০ টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি।
ঘটনার পর কোনো উপায় না পেয়ে এবং সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকায় বোয়ালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগী তুরিন। পরবর্তীতে টাকা উদ্ধারে পুলিশের কাছ থেকে কোনো কার্যকর সহযোগিতা না পেয়ে তিনি একটি সংবাদ সম্মেলনও করেন।
ফি প্রদানের শেষ সময়ের আগে অর্থ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়া এই শিক্ষার্থীর খবর জানতে পেরে এগিয়ে আসেন রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রবি। তিনি ওই শিক্ষার্থীর হাতে সেমিস্টার ফি-এর অর্থ তুলে দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাওনা পরিশোধ করতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তুরিন আলম।
এই বিষয়ে রাজশাহী মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রবি জানান, যুবদল সবসময় সাধারণ ও অসহায় মানুষের পাশে রয়েছে। প্রতারণার শিকার হয়ে এক শিক্ষার্থীর পড়ালেখা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি এই সহযোগিতা করেছেন এবং ভবিষ্যতেও সাধারণ মানুষের সেবায় এমন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।