ঝালকাঠির রাজাপুর-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মাহিন্দ্রা’র (থ্রি-হুইলার) মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত এবিএম আব্দুল রহিম (৪৮) এর মরদেহ কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের লতাবুনিয়া গ্রামে তার নিজ বাড়িতে পৌঁছালে শোকের মাতম নেমে আসে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) তার মরদেহ বাড়িতে আনা হলে স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী ও এলাকাবাসীর কান্নায় হৃদয়বিদারক পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দুপুরে জুমার নামাজের পর মরহুমের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। নিহত এবিএম আব্দুর রহিম লতাবুনিয়া গ্রামের হোসেন মাস্টারের পুত্র। তিনি চরমোনাই কোরআন শিক্ষা বোর্ড মাদ্রাসার একজন ইংরেজি শিক্ষক ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাতে রাজাপুর-ভান্ডারিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের রাজাপুর উপজেলার বড় কৈবর্তখালী সমবায় এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও মাহিন্দ্রার (থ্রি-হুইলার) মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত হন এবং আরও চারজন আহত হন। নিহতদের একজন ছিলেন এবিএম আব্দুর রহিম।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাথরঘাটা থেকে ছেড়ে আসা বরিশাল এক্সপ্রেস নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে যাত্রী নিয়ে ভান্ডারিয়ার দিকে যাওয়া একটি মাহিন্দ্রা সঙ্গে বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাহিন্দ্রায় থাকা দুই যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং চারজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর বাসটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এদিকে ঘটনার পর থেকে মাহিন্দ্রার চালকও পলাতক রয়েছেন।