হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৫৯৭.৩ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ ছয় ব্যক্তিকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
বুধবার, ০৯ জুন ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্মুখস্থ সরকারি খোলা পার্কিং এলাকার দক্ষিণ পাশে উপরোল্লিখিত ব্যক্তিরা সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিল।
এ সময় তারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি মাইক্রোবাসযোগে পালানোর চেষ্টা করলে এয়ারপোর্ট এপিবিএনের সদস্যরা তাদের আটক করে। আটককৃতরা হলেন মোঃ মনির হোসেন (৩২), কাজী মাসুদ (২৩), সাইদুল ইসলাম (২৬), ইলিয়াছ খাঁন (৩৩), সাব্বির মিয়া (২২) এবং মোঃ কামাল হোসেন (৪৪)।

আটককৃত ব্যক্তিদের এয়ারপোর্ট এপিবিএন অফিসে নিয়ে শরীর তল্লাশি করা হলে তাদের হেফাজত থেকে উল্লেখিত স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত প্রতিটি স্বর্ণালংকার ২২ ক্যারেট মানের। স্বর্ণালংকারগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য ৯৪,৪২,১৪০/- (চুরানব্বই লক্ষ বিয়াল্লিশ হাজার একশত চল্লিশ) টাকা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, “বিমানবন্দর এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ ও অন্যান্য অপরাধ দমনে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বরাবরের মতোই সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানসহ সকল ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন বদ্ধপরিকর। বিমানবন্দরকে ব্যবহার করে সংঘটিত যেকোনো চোরাচালান কার্যক্রম প্রতিরোধে আমাদের অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।”
আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিরা অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ উপায়ে সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ আমদানি করে নিজেদের হেফাজতে রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি(১)(বি) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ সংঘটন করেছেন। আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে রিসিভার হিসেবে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণ চোরাচালান সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত।