নেত্রকোণা জেলার বারহাট্টা উপজেলার আসমা ইউনিয়নের গুমুরিয়া গ্রামের একটি সরকারি হালটের গাছ কর্তন ও বসতবাড়িতে হামলার ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মোঃ মাহবুব আলম নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা।
রবিবার (৩ মে) দুপুরে দায়ের করা অভিযোগে মাহবুব আলম লিখেছেন, আমার প্রতিবেশী আয়নাল হক, পিতা- মৃত মজম আলী, গ্রাম- আসমা, ডাকঘর-বারহাট্টা, উপজেলা- বারহাট্টা, জেলা- নেত্রকোণা ব্যক্তি দীর্ঘ দিন যাবৎ গুমুরিয়া এবং আসমা মৌজার সীমান্তবর্তী একটি সরকারি হালট জোর করে দখল করে আসছে।

শনিবার (২ মে) উক্ত সরকারি হালট থেকে একটি আকাশমনি গাছ কেটে নিয়ে যায়। আমার পরিবারের পক্ষ থেকে আপত্তি জানালে লাঠিসোটা নিয়ে আমার বাড়ীতে হামলা চালায়। এমনকি আমার বসত ভিটা থেকে বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকী দেয়। সে দীর্ঘ দিন যাবৎ উক্ত সরকারি হালটের গাছ-গাছালি কেটে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রয় করে দেয়।

এ বিষয়ে আমরা প্রতিবাদ করলে আমার পরিবারের লোকজনের উপর হামলা চালায় ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে। এ নিয়ে স্থানীয় ভাবে বেশ কয়েকবার গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে দেন দরবারও হয়েছে। কিন্তু আয়নাল হক, তার স্ত্রী মজিদা আক্তার, তার মেয়ে নাজমা আক্তার, তার ছেলে মজিদ মিয়া দরবারের সিদ্ধান্ত অমান্য করে সরকারী হালট জোর পূর্বক দখল করে আসছে। এমতাবস্থায় আমার পরিবার সহ আরও অন্যান্য পরিবারের লোকজনের যাতায়তের একমাত্র রাস্তাটি দখল মুক্ত করে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আপনার নিকট আবেদন পেশ করছি।
এবিষয়ে জানতে চাইলে আয়নাল হক ও তার স্ত্রী মজিদা আক্তার রবিবার (৩ মে) দুপুরে জানান যে, তারা গাছ কেটেছেন ঠিকই কিন্তু মাহবুব খারাপ লোক। সে তাদের সাথে জায়গা জমি নিয়ে ঝামেলা করে।
এবিষয়ে বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চম্পক দাম রবিবার (৩ মে) বিকেল সাড়ে ৫ টা নাগাদ জানান, অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এব্যাপারে বারহাট্টা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা রবিবার (৩ মে) দুপুরে জানান, সরকারি হালট দখল ও গাছ কাটার বিষয়টি আমরা যাচাই-বাছাই করে যথাযথ পদক্ষেপ নিব।