অবশেষে শুরু হয়েছে মাহবুব ব্রাদার্স এর ফেলে যাওয়া ১০টি ব্রিজের অসমাপ্ত কাজ।
রোডস এন্ড হাইওয়ে (আর এইচ ডি) ডিপার্টমেন্টের খুলনা জোনের অধিনে বাগেরহাট জেলাধীন ফকিরহাট ও মোল্লাহাট উপজেলার অন্তরগত
হাইওয়ের ১০টি কনক্রিট ব্রিজ এর নির্মাণ কাজের দরপত্রে ২০১৮ সালে কার্যাদেশ পায় মেসার্স মাহবুব ব্রাদার্স।
নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু করলেও তাদের কাজের সক্ষমতা না থাকা,কাজে অনিয়মের অভিযোগে সর্বোপরি তৎকালীন সরকারের প্রভাব বিস্তার করে কাজ না করেই অগ্রিম বিল নেওয়ার পায়তারা চালায়।
যার খেসারত দিতে হয় এলাকার সাধারণ জনগণের। ৭ বছর যাবত মানুষ কে নদী পারাপারের জন্য কয়েক কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হয়েছে,এতে হাজার হাজার মানুষের ভোগান্তি পৌছায় চরমে।
বার বার সময় বাড়ানোর পরেও কাজ অসমাপ্ত রেখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি তাদের মালামাল নিয়ে সরে পড়ে। পরবর্তীতে জানা যায় তাদের কার্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে।
এলাকাবাসীরনদাবির মুখে- তৎকালীন তত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী যোগাযোগ ও সেতু এবং রেল মন্ত্রানালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত শেখ মঈন উদ্দিন সাদি মহোদয় এর বিশেষ নির্দেশনায় আরএইচডির বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল ইসলামের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় চতুর্থবারের রি-টেন্ডারে গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মেসার্স চ্যালেঞ্জার ও মেসার্স জুয়েল ইলেকট্রনিকস- অসোক টাওয়ার, কিশোরগঞ্জ, ২৬ কোটি ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার ১২৫ টাকায় অসমাপ্ত ১০টি ব্রিজের কার্যাদেশ পায়।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টি ৩০ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করে দিয়েছে। ১৯ অক্টোবর ২০২৭ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা রয়েছে।
এলাকা বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি অতিদ্রুত অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হউক।