তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, পহেলা বৈশাখ কেবল কোনো তাত্ত্বিক সমাজ বিশ্লেষণের বিষয় নয়, বরং এটি বাঙালির আনন্দ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার মিলনমেলা।
মন্ত্রী ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে একটি সম্ভাবনাময় বছর হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আগামী বছর জুড়ে আমাদের সরকার বাংলাদেশের কৃষি-নির্ভর অর্থনীতির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করবে।”
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পহেলা বৈশাখের উৎসবে কোনো ধর্ম, বর্ণ বা বিভেদের স্থান নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, “পহেলা বৈশাখ উৎসবের জন্য, আনন্দের জন্য। এই আনন্দের মধ্যে কোনো ধর্ম থাকবে না, কোনো বিভেদ থাকবে না।”
তিনি বলেন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে হিজরি সন ও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সমন্বয়ে বাংলা নববর্ষের যে কাঠামো তৈরি হয়েছে, তার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলার কৃষি ও কৃষকের অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করা।
বর্তমান সরকারের কৃষকবান্ধব নীতির কথা উল্লেখ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবার টাঙ্গাইলে কৃষকদের সাথে সরাসরি নববর্ষ উদযাপন করছেন এবং সেখানে তিনি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা: জাহেদ উর রহমান, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা ও শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ বক্তব্য রাখেন।