মোহনগঞ্জ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে সাড়ে চার মাস বয়সী ফাইজা আক্তার নামে এক শিশু ভর্তি হয়েছে। সে উপজেলার নাগডড়া গ্রামের আমির আলীর মেয়ে।
রোববার রাতে জ্বর,স্বর্দি,ও শরীরে লালচে রেশ নিয়ে হাসপাতালে এলে তাকে হাম আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনায় ভর্তি করেন কর্মরত চিকিৎসক।
এ ছাড়াও আরোও ৯ জন শিশু হামের লক্ষ্মণ নিয়ে হাসপাতালে এলে তাদের সীরাম সংগ্রহ করে ঢাকা মহাখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে রিপোর্ট আসলে বোঝা যাবে তারা হাম আক্রান্ত হয়েছে কি না। তাদেরকে আপাতত জ্বর ও স্বর্দি জনিত চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
হাম প্রাদুর্ভাব রোধে মোহনগঞ্জ হাসপাতালে এক জরুরি সভা করেছেন ইউ এইচ এন্ড এফপিও ডাঃ মো: মোমেনূল ইসলাম। এতে উপস্থিত ছিলেন, আরএমও ডাঃ পার্থ প্রতীম সেন,ডাঃ মোঃ রমিজুল করিম, ডাঃ অলক কান্তি তালুকদার, ডাঃ জান্নাতুন নেছা চাঁদনি সহ সকল কর্মকর্তা বৃন্দ।
ডা: মোমেনূু ইসলাম জানান, হাম রোগের লক্ষ্মণ নিয়ে অনেক শিশু আসছে। সেমপুল সংগ্রহ করার জন্য পর্যাপ্ত কীট প্রয়োজন। সীমিত কিছু কীট রয়েছে, যদি এ রোগের লক্ষ্মণ নিয়ে বেশি রোগী আসে তা হলে কীট সংকট দেখা দিবে।
তিনি আরও জানান, হাম আক্রান্ত রোগীর হাঁচি থেকে রোগ ছড়ায় তাই সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।