আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৩২ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী তিনটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাগেরহাট-১ (চিতলমারী-মোল্লারহাট -ফকিরহাট) সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন— জামায়াতে ইসলামীর মশিউর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুজিবর রহমান শামীম এবং এবি পার্টির মো. আমিনুল ইসলাম।
এছাড়া বিএনপির কপিল মণ্ডল, বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এম এ এইচ সেলিম, এস এম মুজিবর রহমান, মাসুদ রানা ও এস এম মুশফিকুর রহমান মনোনয়ন জমা দেন। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আব্দুস সবুর শেখ এবং খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক।
বাগেরহাট-২(বাগেরহাট সদর - কচুয়া) সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অ্যাডভোকেট শেখ আতিয়ার রহমান এবং খেলাফত মজলিসের বালী নাছের ইকবাল।


পাশাপাশি বিএনপির শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন এবং বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম মনোনয়নপত্র জমা দেন। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রমিজ উদ্দিন ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির মোহাম্মদ হাসান ইমামও মনোনয়ন দিয়েছেন।
বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ শেখ, ইসলামী আন্দোলনের শেখ জিল্লুর রহমান, জাসদ-রবের হাবিবুর রহমান মাস্টার এবং এনসিপির মো. রহমাতুল্লাহ।
এছাড়া বিএনপির ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. জুলফিকার হোসেন মনোনয়নপত্র জমা দেন।
বাগেরহাট-৪ (মোড়েলগঞ্জ -শরণখোলা) সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল আলীম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওমর ফারুক এবং বিএনপির সোমনাথ দে।
এছাড়া বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খাইরুজ্জামান শিপন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)-এর প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ খান এবং জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
জেলা নির্বাচন অফিস জানিয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা কার্যক্রম শেষ হয়েছে। আগামীতে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
মনোনয়নপত্র জমা শেষে বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও ভোটারদের সমর্থন প্রত্যাশা করে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদান করেন।