নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে নতুনত্বের এক ভোর দেখা গেল ফজরের সময়, যখন একজন প্রার্থী ভোটারের সামনে উপস্থিত হলেন সামনাসামনি। শহরের সৌন্দর্য নষ্ট না করার দৃঢ় অঙ্গীকার থেকে তিনি ফেস্টুন, নেমপ্লেট বা কোনো ধরনের দেয়ালে লাগানো কাগজ ব্যবহার করেননি, যা সাধারণত শহরকে নোংরা ও বিশৃঙ্খল করে তোলে।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তিনি এমন একজন রাজনীতিবিদ, যিনি কোনো রাজনৈতিক দলের বা ব্যক্তির অন্যায়কে প্রশ্রয় দেননি এবং অন্যায়কে কোনোদিন ন্যায় হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা করেননি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সুর যেমন তার কণ্ঠে মানায়, তেমনি দেশপ্রেম তার ভাষায় স্বাভাবিকভাবেই ফুটে ওঠে।
বর্তমান প্রজন্মের দৃষ্টিতে ওসমান হাদি এক বিশেষ নাম। তারা মাওলানা ভাসানীকে দেখেনি, তাজউদ্দীন আহমদকে দেখেনি, কিন্তু ওসমান হাদিকে তারা নিজ চোখে দেখেছে। তাদের বিশ্বাস—ওসমান হাদি মরতে পারে না; হাদিরা কখনো মরে না, হাদিরা জন্ম নেয় পৃথিবীতে হাজারো হাদি তৈরির জন্য।
জনগণের মাঝে নতুন করে আবারও প্রশ্ন তুলেছে আওয়ামী লীগ? ক্ষমতা না থাকলেও দেশে যে অরাজকতা, খুন ও গুমের ধারা চালিয়ে যাচ্ছে, তা মানুষকে ভীষণভাবে ভাবিয়ে তুলছে। তাহলে তারা ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় দেশে কতটা নির্মম নির্যাতন, খুন ও গুম চালিয়েছে—এই প্রশ্ন এখন জনমনে আরও তীব্রভাবে ফিরে আসছে