
ভোলার চরফ্যাশনে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে শিশুদের মক্তব দখল করে রাজনৈতিক কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চর কুকরি-মুকরি ইউনিয়নের আমিনপুর গ্রামে ওই মক্তব ঘরের অবস্থান।
গত বছর আগস্টে আওয়ামী সরকারের পতনের পর স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা সোহরাব রাঢ়ী, বনি আমিন দালাল, জাকির রাঢ়ী, জাকির হাওলাদার, বাবুল মুন্সী, ইসমাইল সিকদার ও তাঁদের সহযোগীরা ঘরটি দখল করে রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এটি একটি সরকারি ঘর ও ধর্মীয় শিক্ষার কেন্দ্র ছিল। রাজনৈতিক স্বার্থে এমন জায়গা দখল করা অনৈতিক ও ধর্মীয় অবমাননার শামিল।’
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে চর কুকরি-মুকরি ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি বশির আহম্মেদ বলেন, বিগত কয়েক বছর ঘরটি আওয়ামী লীগ দখলে রেখেছিল। স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা মিলে সেটি পরিষ্কার করে রাজনৈতিক অফিস হিসেবে ব্যবহার করছেন। ঘরটি তাঁরা দখল করেননি।
এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি সামছুল হক প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি জানার পর তিনি দলীয় নেতা-কর্মীদের ঘরটি ছেড়ে দিতে বলেছেন। ‘ওরা এখন আর বসে না। তবে কয়েকটি চেয়ার আর বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবি রয়ে গেছে। আশা করি, সেগুলো সরিয়ে আবার মক্তব চালু হবে।’
চরফ্যাশন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এমাদুল হোসেন বলেন, বিষয়টি জেনে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।