প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৬, ২০২৬, ১২:৫৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ১২, ২০২৫, ২:২২ পি.এম
মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত কর্মকর্তাদের হেফাজতে নেওয়ায় সেনাবাহিনীর পদক্ষেপকে স্বাগত জানাই

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গুম-খুনের অভিযোগে সেনা হেফাজতে নেওয়ায় সেনাবাহিনীর এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি
জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার আজ ১২ অক্টোবর এক বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, “গুম ও খুনের সঙ্গে জড়িত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কতিপয় কর্মকর্তাকে বিচারের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে নিয়ে বাংলাদেশের জনগণ গর্বিত থাকতে চান। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই বাহিনীর কতিপয় সদস্য দেশের বিদ্যমান আইন ও মানবাধিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শনে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের প্ররোচনায় প্রতিপক্ষ নিধনের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ছিলেন অন্ধ সহযোগী। ফলে গুম এবং খুনের একটি ভীতিকর পরিবেশ দেশে সৃষ্টি হয়েছিল, যা একটি জাতির জন্য খুবই দুর্ভাগ্যের বিষয়। তবে সুনির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির অপরাধের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত হতে দেওয়া যায় না। অপরাধের দায় কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপরই বর্তাবে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এই বিচারপ্রক্রিয়াকে সহায়তা করার স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। আমরা সেনাবাহিনীর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
আমরা আশা করি, কারও ওপর কোনো অবিচার চাপিয়ে দেওয়া হবে না। স্বচ্ছ বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট অপরাধীরা যথাযথ শাস্তির মুখোমুখি হবেন।
এতে যেমন অতীতের দায় মুছে যাবে, তেমনি ভবিষ্যতে কেউ নিজের পেশা বা পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে জনগণের জানমালের ক্ষতি সাধন থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হবেন। পরিণতিতে দীর্ঘমেয়াদে জাতি উপকৃত হবে।”
Copyright © 2026 খুলনা টাইমস ২৪. All rights reserved.