বাগেরহাট ডিবি ও সদর থানা পুলিশের অভিযানে চঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস শহিদুল মোল্লা হত্যা কান্ডের ২৪ ঘন্টার মধ্যে রহস্য উন্মোচন ও আসামী গ্রেফতার।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল অনুমান ০৯.৩০ পুলিশ সুপার, মোঃ আসাদুজ্জামান, বাগেরহাট এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ শরিফুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহামুদ-উল হাসান এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার এর সমন্বয়ে গঠিত ডিবির একটি চৌকস টিম ও থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা করে চঞ্চল্যকর ও ক্লুলেস হত্যা কাণ্ডের ঘটনার সাথে জড়িত আসামী মোঃ নাহিদ শিকদার(৪২), পিতা-ফারুক শিকদার, মাতা-তহমিনা বেগম, সাং-কালদিয়া, থানা ও জেলা-বাগেরহাটকে সদর থানাধীন খান জাহান আলী মাজার এলাকায় হতে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আসামী ও তার সহযোগি আসামীরা একত্রে ডিসিস্ট ইজিবাইক চালক শহিদুল মোল্লা(৪৫), পিতা-মৃত নুরু ইসলাম মোল্লা, সাং-পিসি কলেজ, থানা ও জেলা-বাগেরহাটকে গত ১৩-০৯-২০২৫ খ্রিঃ পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে বাগেরহাট সদর থানাধীন গোটাপাড়া কালদিয়া সাকিনস্থ জনৈক ফিরোজুল ইসলাম ফিরোজ এর পরিত্যক্ত ডেইরী ফার্মের ২য় তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং নিয়ে যায়।
সেখানে তারা ডিসিস্ট শহিদুল মোল্লার মুখে কসটেপ পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করতঃ লাশ উক্ত পরিত্যাক্ত গরুর ফার্মের সিঁড়ির নিচে লুকিয়ে রেখে ডিসিস্টের ইজিবাইকটি নিয়ে পালিয়ে যায়।
উক্ত ঘটনা সংক্রান্তে বাগেরহাট সদর মডেল থানার মামলা নং-১১/১৬৯, তাং-১৫-০৯-২০২৫ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, আসামীরা ৫০,০০০/-(পঞ্চাশ হাজার) টাকার চুক্তিতে ডিসিস্ট শহিদুল মোল্লাকে হত্যা করেছে।
চুক্তিকৃত টাকার মধ্যে আসামী মোঃ নাহিদ শিকদারের নিকট হতে ৩০০০/-(তিন হাজার) টাকা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সময় ব্যবহৃত ০২(দুই) টি মোবাইল ফোন উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়।
বাগেরহাট সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, অন্যান্ন আসামীদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত আছে।